বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) ও দারিদ্র্য বিমোচন |
পরিকল্পনা কমিশন ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা |
📌 সংজ্ঞা: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Five Year Plan) |
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি নির্দিষ্ট পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমের রূপরেখা, যা পরিকল্পনা কমিশন প্রণয়ন করে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC) অনুমোদন করে। |
প্রেক্ষাপট আলোচনা |
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণাটি সর্বপ্রথম সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) ১৯২৮ সালে প্রবর্তন করে। পরবর্তী সময়ে ভারত ১৯৫১ সালে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনা কমিশন (Planning Commission) এই পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা।
বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ১৯৭৮-৮০ সালে কোনো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ছিল না, পরিবর্তে দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (Two Year Plan: 1978-80) গৃহীত হয়েছিল। বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (8th FYP: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫) বাস্তবায়নাধীন।
পরিকল্পনা কমিশনের সভাপতি হন প্রধানমন্ত্রী এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (GED) পরিকল্পনার কাজ পরিচালনা করে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উদ্ভাবক দেশ: সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া), ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ।
পরিকল্পনা কমিশনের সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী। প্রণয়নকারী সংস্থা: পরিকল্পনা কমিশন।
NEC: National Economic Council — জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ; পরিকল্পনা অনুমোদন করে।
ECNEC: Executive Committee of National Economic Council — প্রকল্প অনুমোদনকারী কমিটি।
বাংলাদেশে মোট পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ৮টি (১৯৭৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত)।
বাদ পড়া সময়কাল: ১৯৭৮-৮০ সালে দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (Two Year Plan), কোনো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ছিল না।
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-১৯৭৮ সালের জন্য।
টাইমলাইন: বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারা |
সাল/মেয়াদ | ঘটনা/পরিকল্পনা | তাৎপর্য/বৈশিষ্ট্য |
১৯৭৩-১৯৭৮ | ১ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা | স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা; পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার কেন্দ্রিক। |
১৯৭৮-১৯৮০ | দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (Two Year Plan) | পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পরিবর্তে বিশেষ ব্যবস্থা। |
১৯৮০-১৯৮৫ | ২য় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা | কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব। |
১৯৮৫-১৯৯০ | ৩য় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা | পল্লী উন্নয়ন ও শিল্পায়নে মনোযোগ। |
১৯৯০-১৯৯৫ | ৪র্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা | গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের যুগ। |
১৯৯৭-২০০২ | ৫ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা | দারিদ্র্য বিমোচন ও মানব উন্নয়নে জোর। |
২০১১-২০১৫ | ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (SFYP) | ডিজিটাল বাংলাদেশ ও দ্রুত প্রবৃদ্ধির কৌশল। |
২০১৬-২০২০ | ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (7FYP) | GDP প্রবৃদ্ধির গড় লক্ষ্যমাত্রা ৭.৪% প্রতি বছর। |
২০২০-২০২৫ | ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (8FYP) | কোভিড পুনরুদ্ধার, LDC উত্তরণ ও SDG অর্জনের কৌশল। |
তুলনা: ৭ম ও ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা |
বিষয় | ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (7FYP) | ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (8FYP) |
মেয়াদ | জুলাই ২০১৬ - জুন ২০২০ | জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫ |
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা | ৭.৪% (গড় প্রতি বছর) | �৮.৫১% (গড় প্রতি বছর) |
দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্য | ১৮.৬% এ নামিয়ে আনা | ১৫.৬% এ নামিয়ে আনা |
বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা (GDP-র %) | ৩৩.৩% | ৩৬.৬% |
মূল প্রতিপাদ্য | দারিদ্র্যমুক্তির পথে ত্বরান্বিত প্রবৃদ্ধি | কোভিড পুনরুদ্ধার, LDC উত্তরণ, SDG |
বিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রা | ২৩,০০০ MW (২০২০) | ৪০,০০০ MW (২০২৫) |
মনে রাখার কৌশল ও ট্রিকস |
★ মনে রাখুন: সংখ্যা-সূত্র: '৭৩ থেকে শুরু, ৮টি পরিকল্পনা' → ১৯৭৩ সালে ১ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, মোট ৮টি। |
★ মনে রাখুন: ছন্দ: 'সোভিয়েত শুরু, ভারত '৫১, বাংলাদেশ '৭৩' — প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বছর মনে রাখুন এভাবে। |
⚡ এক্সাম-টিপ: ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জিডিপি প্রবৃদ্ধির গড় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.৪০% — এই সংখ্যাটি BCS ও ব্যাংক পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। |
📌 বিশেষ নোট: দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা কেন? |
১৯৭৮-৮০ সালের দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণের কারণ হলো রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা। এই সময়কালটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার গণনায় যোগ হয় না। তাই বাংলাদেশ ১৯৭৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত সময়কালে মাত্র ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। |
⚠️ সতর্কতা বিভ্রান্তিকর তথ্য ১: 'বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৭২ সালে' — ভুল। সঠিক উত্তর: ১৯৭৩-১৯৭৮ সাল। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হলেও পরিকল্পনা প্রণয়নে সময় লাগে। বিভ্রান্তিকর তথ্য ২: পরিকল্পনা কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) আলাদা সংস্থা। NBR কর আহরণ করে, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরি করে না। বিভ্রান্তিকর তথ্য ৩: ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ 'জুলাই ২০২১-২০২৬' নয়; সঠিক মেয়াদ জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫। |
প্রশ্ন (Q&A) — পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা |
প্রশ্ন 1: পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ কোনটি? উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া), ১৯২৮ সালে। |
প্রশ্ন 2: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে কোন সংস্থা? উত্তর: পরিকল্পনা কমিশন (Planning Commission)। |
প্রশ্ন 3: বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ কত? উত্তর: ১৯৭৩-১৯৭৮ সাল। |
প্রশ্ন 4: বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে? উত্তর: ৮টি। |
প্রশ্ন 5: অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত? উত্তর: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫। |
প্রশ্ন 6: ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিবছর গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত? উত্তর: ৭.৪০%। |
প্রশ্ন 7: বাংলাদেশে বর্তমানে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন? উত্তর: ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। |
✍️ লিখিত পরীক্ষার জন্য (Critical View) |
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাংলাদেশের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় কাঠামো হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্রা ও প্রকৃত অর্জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। LDC থেকে উত্তরণের পথে কাঠামোগত রূপান্তর ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল পূর্বশর্ত। |
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি — ADP |
📌 সংজ্ঞা: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি — ADP (Annual Development Programme) |
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) হলো বাংলাদেশ সরকারের বাৎসরিক উন্নয়ন বাজেটের মূল অংশ, যেখানে প্রতি অর্থবছরের জন্য সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প এবং কার্যক্রমে বরাদ্দের পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। পরিকল্পনা বিভাগ ADP প্রণয়ন করে এবং ECNEC অনুমোদন দেয়। |
প্রেক্ষাপট আলোচনা |
ADP (Annual Development Programme) বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের উন্নয়ন অংশ। প্রতি অর্থবছরে (জুলাই-জুন) একটি নতুন ADP ঘোষণা করা হয় — অর্থাৎ ADP মেয়াদকাল ১ বছর। পরিকল্পনা বিভাগ (Planning Division) ADP প্রণয়নের দায়িত্বে থাকে এবং বাস্তবায়নের তদারকি করে বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (IMED — Implementation Monitoring and Evaluation Division)।
মূল ADP-এর পাশাপাশি সংশোধিত ADP (RADP — Revised Annual Development Programme) বছরের মাঝপথে প্রণীত হয়, যেখানে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের বরাদ্দ কমানো হয় বা বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়ানো হয়। FY 2025-26-এ ADP-এর আকার প্রায় ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
ADP-তে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতগুলো সাধারণত পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও বিদ্যুৎ। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতেও গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ থাকে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি)।
ADP-এর মেয়াদ: ১ বছর (প্রতিটি অর্থবছরের জন্য)।
প্রণয়নকারী: পরিকল্পনা বিভাগ (Planning Division), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
অনুমোদনকারী: ECNEC (Executive Committee of National Economic Council)।
বাস্তবায়ন তদারকি: IMED (Implementation Monitoring and Evaluation Division)।
RADP: Revised ADP — বছরের মাঝে সংশোধিত ADP।
সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত (সাধারণত): পরিবহন ও যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি।
ADP বাস্তবায়নের হার: প্রতি বছর গড়ে ৮০-৯০% (অর্থবছর শেষের আগে)।
তথ্য-পরিসংখ্যান টেবিল: বিভিন্ন অর্থবছরে ADP-এর আকার |
অর্থবছর | ADP-এর আকার (কোটি টাকা) | উল্লেখযোগ্য তথ্য |
২০০৫-০৬ | ২১,৫০০ | শিক্ষা ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার। |
২০০৮-০৯ | প্রায় ২৫,০০০ | আন্তর্জাতিক মন্দার বছর, তবুও উন্নয়ন অব্যাহত। |
২০১১-১২ | প্রায় ৪৭,২৭৬ (৪৭২.৭৬ বিলিয়ন টাকা) | ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে। |
২০১৮-১৯ | ১,৭৩,০০০ | ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষ পর্যায়। |
২০২০-২১ | ২,০৫,১৪৫ | কোভিড পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ADP। |
২০২৪-২৫ | প্রায় ২,৬৫,০০০ | ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার চতুর্থ বছর। (অর্থ মন্ত্রণালয়, ২০২৪) |
Live Update Box — সাম্প্রতিক ADP তথ্য |
সূচক | পরিমাণ/হার | উৎস/সাল |
জাতীয় বাজেটের আকার (২০২৫-২৬) | ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা (৫৪তম বাজেট) | অর্থ মন্ত্রণালয়, ২০২৫ |
ADP বরাদ্দ (২০২৪-২৫) | প্রায় ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা | পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ২০২৪ |
ADP বাস্তবায়নের হার (গড়) | ৮৫-৯০% | IMED, বাংলাদেশ |
মোট প্রকল্প সংখ্যা (ADP ২০২৪-২৫) | ১,৩০০+ প্রকল্প | পরিকল্পনা বিভাগ, ২০২৪ |
বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের শেয়ার | মোট বাজেটের প্রায় ৩২-৩৫% | অর্থ মন্ত্রণালয়, ২০২৫ |
প্রথম বাজেট উপস্থাপনকারী | তাজউদ্দীন আহমেদ (১৯৭২-৭৩) | বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ |
মনে রাখার কৌশল ও ট্রিকস |
★ মনে রাখুন: সূত্র: ADP = Annual (বার্ষিক) + Development (উন্নয়ন) + Programme (কর্মসূচি) → 'এক বছরের উন্নয়নের পরিকল্পনাই ADP'। |
★ মনে রাখুন: IMED মনে রাখুন: I = Implementation (বাস্তবায়ন), M = Monitoring (পর্যবেক্ষণ), E = Evaluation (মূল্যায়ন), D = Division (বিভাগ)। ADP বাস্তবায়ন তদারকি করে IMED। |
⚡ এক্সাম-টিপ: বারবার আসা প্রশ্ন: ADP কত বছরের জন্য? উত্তর: ১ বছর। (পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না!) |
⚡ এক্সাম-টিপ: ২০০৫-০৬ সালে ADP ছিল ২১,৫০০ কোটি টাকা; ২০২০-২১ সালে ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা — প্রায় ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। |
📌 বিশেষ নোট: ECNEC বনাম NEC |
NEC (National Economic Council) পরিকল্পনা অনুমোদন করে, কিন্তু উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতা ECNEC-এর। ECNEC-এর সভাপতি হন প্রধানমন্ত্রী এবং এতে অর্থমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা থাকেন। ব্যাংক জব ও BCS উভয় পরীক্ষায় NEC ও ECNEC-এর পার্থক্য জানা জরুরি। |
⚠️ সতর্কতা বিভ্রান্তিকর জোড়া তথ্য: 'ADP vs পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা' → ADP: প্রতি বছরের জন্য (১ বছর মেয়াদ) | পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ৫ বছরের জন্য। → ADP প্রণয়ন: পরিকল্পনা বিভাগ | পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন: পরিকল্পনা কমিশন। → ADP তদারকি: IMED | পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন: NEC। বিভ্রান্তিকর তথ্য: 'Annual Development Plan' — বাংলাদেশে এটি 'Programme', 'Plan' নয়। |
প্রশ্ন (Q&A) — ADP |
প্রশ্ন 1: ADP stands for ---- উত্তর: Annual Development Programme (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি)। [নোট: বিকল্পে 'Annual Development Plan' বা 'Annual Development Program' থাকলে সেগুলো ভুল — সঠিক হলো 'Programme'।] |
প্রশ্ন 2: এডিপি (ADP)-এর পূর্ণরূপ -- উত্তর: আনুয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (Annual Development Programme)। |
প্রশ্ন 3: বাংলাদেশ সরকার কত বছরের জন্য ADP ঘোষণা করে? উত্তর: ১ বছরের জন্য। |
প্রশ্ন 4: ২০০৫-২০০৬ সালের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) কত টাকা? উত্তর: ২১,৫০০ কোটি টাকা। |
প্রশ্ন 5: Total allocation for ADP in Bangladesh National Budget 2008-09 is close to Tk. --- crore. উত্তর: প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা। |
প্রশ্ন 6: What is the size of Annual Development Programme for FY 2011-12? উত্তর: Taka 397.56 Billion (প্রায় ৩৯,৭৫৬ কোটি টাকা)। |
প্রশ্ন 7: বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ADP-র জন্য বরাদ্দ কত? উত্তর: ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা। |
প্রশ্ন 8: বাংলাদেশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট ADP-র পরিমাণ? উত্তর: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা। |
প্রশ্ন 9: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট কে পেশ করেন? উত্তর: তাজউদ্দীন আহমেদ (১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে)। |
প্রশ্ন 10: ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের আকার কত? উত্তর: ৭ লক্ষ ৯০ হাজার (৭,৯০,০০০) কোটি টাকা। |
প্রশ্ন 11: এবারের (২০২৫-২০২৬) বাজেট কততম? উত্তর: ৫৪তম বাজেট। |
✍️ লিখিত পরীক্ষার জন্য (Critical View) |
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা হিসেবে অপরিহার্য। তবে ADP বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে: প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, সময়মতো বাস্তবায়ন না হওয়া, এবং অর্থবছরের শেষে 'জুন ফিভার' অর্থাৎ শেষ মুহূর্তে দ্রুত অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা। এই সমস্যাগুলো সমাধানে IMED-এর শক্তিশালীকরণ ও ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে, যা সুশাসন নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। |
দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল ও PRSP |
📌 সংজ্ঞা: PRSP (Poverty Reduction Strategy Paper) |
PRSP বা Poverty Reduction Strategy Paper হলো দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র। বিশ্বব্যাংক ও IMF-এর সহায়তায় স্বল্পোন্নত দেশগুলো এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করে। বাংলাদেশে এটি NSAPR (National Strategy for Accelerated Poverty Reduction) নামেও পরিচিত। |
প্রেক্ষাপট আলোচনা |
বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। ১৯৯৯ সালে বিশ্বব্যাংক ও IMF 'দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP)' ধারণাটি প্রবর্তন করে। বাংলাদেশ ২০০৩ সালে প্রথম PRSP (I-PRSP) এবং ২০০৫ সালে পূর্ণাঙ্গ PRSP (NSAPR-I) প্রণয়ন করে।
দ্বিতীয় PRSP (NSAPR-II) প্রণীত হয় জুলাই ২০০৯ থেকে জুন ২০১১ মেয়াদের জন্য (পরবর্তী পর্যায়ে ২০১৪ পর্যন্ত বর্ধিত)। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে: ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ৫৬.৭% থেকে HIES ২০২২ অনুযায়ী ১৮.৭%-এ নেমে এসেছে।
দারিদ্র্য পরিমাপ করে BBS (Bangladesh Bureau of Statistics) পরিচালিত HIES (Household Income and Expenditure Survey) জরিপের মাধ্যমে। এই জরিপে দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের ভিত্তিতে দারিদ্র্যসীমা নির্ধারণ করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
PRSP-এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper (দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র)।
বাংলাদেশে PRSP প্রণয়নকারী: সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (GED), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১ম PRSP (NSAPR-I): ২০০৫-২০০৮ সাল (পূর্ণাঙ্গ রূপ)।
২য় PRSP (NSAPR-II): জুলাই ২০০৯ - জুন ২০১১ (পরে ২০১৪ পর্যন্ত বর্ধিত)।
দারিদ্র্য পরিমাপ: HIES (Household Income and Expenditure Survey) — BBS পরিচালিত।
চরম দারিদ্র্যের সংজ্ঞা: দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ।
দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি জেলা: কুড়িগ্রাম।
দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম জেলা: নারায়ণগঞ্জ।
অমর্ত্য সেনের মত: 'কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারণ' — গ্রন্থ: 'Development as Freedom'।
Live Update Box — দারিদ্র্য পরিসংখ্যান |
সূচক | পরিমাণ/হার | উৎস/সাল |
জাতীয় দারিদ্র্যের হার | ১৮.৭% | HIES ২০২২, BBS |
চরম দারিদ্র্যের হার (জাতীয়) | ৫.৬% | HIES ২০২২, BBS / অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ |
পল্লী এলাকায় দারিদ্র্যের হার | ২০.৩% | HIES ২০২২, BBS |
শহর এলাকায় দারিদ্র্যের হার | ১৪.৭% | HIES ২০২২, BBS |
HIES ২০১৬ অনুযায়ী জাতীয় দারিদ্র্যের হার | ২৪.৩% | HIES ২০১৬, BBS |
HIES ২০১৬ অনুযায়ী পল্লী অতি দারিদ্র্যের হার | ১৪.৯% | HIES ২০১৬, BBS |
সর্বোচ্চ দারিদ্র্যের জেলা | কুড়িগ্রাম | BBS, বিভিন্ন জরিপ |
সর্বনিম্ন দারিদ্র্যের জেলা | নারায়ণগঞ্জ | BBS, বিভিন্ন জরিপ |
তুলনামূলক ছক: দারিদ্র্যের হার পরিবর্তন (১৯৯১-২০২২) |
বছর/জরিপ | জাতীয় দারিদ্র্যের হার | চরম দারিদ্র্যের হার | উৎস |
১৯৯১ | ৫৬.৭% | — | BBS/World Bank |
২০০০ | ৪৮.৯% | — | BBS HIES |
২০০৫ | ৪০.০% | ২৫.১% | BBS HIES |
২০১০ | ৩১.৫% | ১৭.৬% | BBS HIES |
২০১৬ | ২৪.৩% | ১২.৯% | BBS HIES ২০১৬ |
২০২২ | ১৮.৭% | ৫.৬% | BBS HIES ২০২২ |
মনে রাখার কৌশল ও ট্রিকস |
★ মনে রাখুন: সূত্র: PRSP = 'P' oor লোকের 'R' ূপান্তরের 'S' ৌশলের 'P' েপার → Poverty Reduction Strategy Paper। |
★ মনে রাখুন: ক্যালোরি সূত্র: 'চরম দারিদ্র্য = ১,৮০৫ ক্যালোরির নিচে' — '১৮০৫' = 'এক-আট-শূন্য-পাঁচ' মনে রাখুন। |
★ মনে রাখুন: জেলা মনে রাখার ট্রিক: 'কুড়িগ্রামের মানুষ কুড়িয়ে খায়' (সবচেয়ে গরিব জেলা) | 'নারায়ণগঞ্জ নারায়ণের ধন' (সবচেয়ে কম গরিব)। |
⚡ এক্সাম-টিপ: অমর্ত্য সেনের বিখ্যাত গ্রন্থ 'Development as Freedom'-এ দারিদ্র্যের সংজ্ঞা দেওয়া আছে। |
📌 বিশেষ নোট: HIES ২০২২-এর গুরুত্ব |
HIES ২০২২ (Household Income and Expenditure Survey 2022) হলো সর্বশেষ দারিদ্র্য জরিপ। এই জরিপ অনুযায়ী জাতীয় দারিদ্র্যের হার ১৮.৭% এবং চরম দারিদ্র্যের হার ৫.৬%। পরীক্ষায় 'HIES ২০১৬ অনুযায়ী' বা 'বর্তমান হার' জিজ্ঞেস করা হলে সাল ও হার উভয়ই দেওয়া বাধ্যতামূলক। বিবিএস (BBS) এই জরিপ পরিচালনা করে, বিশ্বব্যাংক বা IMF নয়। |
⚠️ সতর্কতা বিভ্রান্তিকর তথ্য ১: 'দারিদ্র্য জরিপ পরিচালনা করে বিশ্বব্যাংক' — ভুল। সঠিক উত্তর: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। বিভ্রান্তিকর তথ্য ২: পল্লী এলাকায় অতি দারিদ্র্যের হার (HIES ২০১৬) = ১৪.৯% (অপশনে ১৩.৭% দেওয়া থাকলে ভুল)। বিভ্রান্তিকর তথ্য ৩: '২য় PRSP মেয়াদ জুন ২০১০-জুন ২০১৪' — সঠিক মেয়াদ জুলাই ২০০৯ থেকে শুরু। বিভ্রান্তিকর তথ্য ৪: দারিদ্র্য সবচেয়ে বেশি 'রংপুর জেলায়' — সঠিক উত্তর 'কুড়িগ্রাম'। |
প্রশ্ন (Q&A) — দারিদ্র্য ও PRSP |
প্রশ্ন 1: PRSP এর পূর্ণরূপ কি? উত্তর: Poverty Reduction Strategy Paper। |
প্রশ্ন 2: PRSP হচ্ছে উত্তর: দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র। |
প্রশ্ন 3: The Government of Bangladesh has formulated the 2nd PRSP for the period of --- উত্তর: July 2009 - June 2014। |
প্রশ্ন 4: দ্বিতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্রের মেয়াদকাল কোনটি? উত্তর: জুন ২০০৯ - জুন ২০১৩/১৪ সাল। |
প্রশ্ন 5: জনপ্রতি দৈনিক কত কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য বলে? উত্তর: ১,৮০৫ কিলোক্যালোরি। |
প্রশ্ন 6: বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়? উত্তর: কুড়িগ্রাম। |
প্রশ্ন 7: বাংলাদেশের কোন জেলায় দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম? উত্তর: নারায়ণগঞ্জ। |
প্রশ্ন 8: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী বাংলাদেশে চরম দারিদ্রের হার কত? উত্তর: ৫.৬% (HIES ২০২২ অনুযায়ী)। |
প্রশ্ন 9: HIES ২০১৬ মোতাবেক পল্লী এলাকায় অতি দারিদ্র্যের হার? উত্তর: ১৪.৯%। |
প্রশ্ন 10: অমর্ত্য সেন দারিদ্র্য সংক্রান্ত যুক্তি কোন গ্রন্থে তুলে ধরেন? উত্তর: 'Development as Freedom' গ্রন্থে। |
প্রশ্ন 11: বাংলাদেশ দারিদ্র্য জরিপ পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান? উত্তর: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। |
✍️ লিখিত পরীক্ষার জন্য (Critical View) |
বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে — ১৯৯১ সালের ৫৬.৭% থেকে ২০২২ সালে ১৮.৭%-এ নেমে আসা বিশ্বে একটি দৃষ্টান্তস্থাপী উদাহরণ। তবে শুধু আয়ভিত্তিক দারিদ্র্য হ্রাস পেলেই প্রকৃত উন্নয়ন হয় না — অমর্ত্য সেনের ক্ষমতা-ভিত্তিক (Capability Approach) দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে দারিদ্র্য বিমোচন টেকসই হয় না। বাংলাদেশে বহুমাত্রিক দারিদ্র্য (MPI) হ্রাসে এখনো উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি। |
গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম |
📌 সংজ্ঞা: গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ |
গ্রামীণ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের একটি বিশেষ ব্যাংক যা ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্রঋণ (Micro-Credit) হলো জামানতবিহীন ক্ষুদ্র পরিমাণ ঋণ যা দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষত নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে সহায়তা করে। |
প্রেক্ষাপট আলোচনা |
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জোবরা গ্রামে 'গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প' শুরু করেন। পরীক্ষামূলক এই প্রকল্প সাফল্য পাওয়ার পর ১৯৮৩ সালে 'গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ, ১৯৮৩' জারির মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ২ অক্টোবর ১৯৮৩ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো ভিন্নধর্মী: ঋণগ্রহীতা সদস্যরা ৭৫% এবং সরকার ২৫% মালিক। ব্যাংকটি মূলত দরিদ্র নারীদের জামানতবিহীন ঋণ দিয়ে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। ২০১৮ সালে UNESCO আন্তর্জাতিক মাইক্রোক্রেডিট বছর হিসেবে ২০০৫ সালকে ঘোষণা করেছিল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প শুরু: ১৯৭৬ সালে (জোবরা গ্রাম, চট্টগ্রাম, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে)।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৩ সালে (গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ, ১৯৮৩)।
আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: ২ অক্টোবর, ১৯৮৩।
মালিকানা: ঋণগ্রহীতা সদস্য ৭৫% + সরকার ২৫%।
নোবেল পুরস্কার: ২০০৬ সালে (ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে)।
আন্তর্জাতিক মাইক্রোক্রেডিট বছর: UNESCO ঘোষিত ২০০৫ সাল।
বাইরে প্রথম চালু: মালয়েশিয়ায়।
গ্রামীণ ব্যাংকের '১৬ সিদ্ধান্ত': সামাজিক উন্নয়নমূলক নীতি যা সদস্যদের প্রতিশ্রুতিনামা।
ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান: ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (Microcredit Regulatory Authority — MRA)।
PKSF: Palli Karma-Sahayak Foundation — ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল সরবরাহকারী।
তুলনামূলক ছক: গ্রামীণ ব্যাংক বনাম সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক |
বিষয় | গ্রামীণ ব্যাংক | সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক |
প্রতিষ্ঠার ভিত্তি | বিশেষ অধ্যাদেশ (১৯৮৩) | কোম্পানি আইন / ব্যাংক কোম্পানি আইন |
ঋণের ধরন | জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ | জামানতভিত্তিক ঋণ |
লক্ষ্য গোষ্ঠী | দরিদ্র নারী ও গ্রামীণ মানুষ | সকল শ্রেণির গ্রাহক |
মালিকানা | ঋণগ্রহীতা ৭৫% + সরকার ২৫% | সরকার বা বেসরকারি শেয়ারহোল্ডার |
উদ্দেশ্য | দারিদ্র্য বিমোচন | মুনাফা অর্জন |
নিয়ন্ত্রণকারী | বাংলাদেশ ব্যাংক (বিশেষ বিধানে) | বাংলাদেশ ব্যাংক |
মনে রাখার কৌশল ও ট্রিকস |
★ মনে রাখুন: সংখ্যা-সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক — '৭৬ প্রকল্প, '৮৩ প্রতিষ্ঠা, '০৬ নোবেল'। |
★ মনে রাখুন: মালিকানা মনে রাখুন: '৭৫-২৫' → '৭৫ = ঋণগ্রহীতা, ২৫ = সরকার'। |
⚡ এক্সাম-টিপ: Who developed micro-credit in Bangladesh? = Dr. Muhammad Yunus (NOT Fazle Hasan Abed — Abed ছিলেন BRAC-এর প্রতিষ্ঠাতা)। |
📌 বিশেষ নোট: গ্রামীণ ব্যাংক কি বাণিজ্যিক ব্যাংক? |
গ্রামীণ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়। এটি গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ, ১৯৮৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হলেও এর পরিচালনা বিশেষ বিধানের আওতায়। এটি NGO নয়, একটি ব্যাংক। পরীক্ষায় এটিকে 'Commercial Bank' বা 'NGO' বলা ভুল হবে। |
⚠️ সতর্কতা বিভ্রান্তিকর জোড়া: 'গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা = Fazle Hasan Abed' — ভুল! গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। Fazle Hasan Abed হলেন BRAC-এর প্রতিষ্ঠাতা। বিভ্রান্তিকর তথ্য: গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা '১৯৮২ সালে' — ভুল। সঠিক উত্তর: ১৯৮৩ সাল (অধ্যাদেশ জারি)। বিভ্রান্তিকর তথ্য: মাইক্রোক্রেডিট বছর '২০০৬ সাল' — ভুল। UNESCO ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাইক্রোক্রেডিট বছর ছিল ২০০৫ সাল। |
প্রশ্ন (Q&A) — গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ |
প্রশ্ন 1: The founder of the Grameen Bank is ---- উত্তর: Professor Mohammad Yunus। |
প্রশ্ন 2: Who developed the basic idea of micro-credit program for poverty alleviation in Bangladesh? উত্তর: Mohammad Yunus। [নোট: Fazle Hassan Abed হলেন BRAC-এর প্রতিষ্ঠাতা — ক্ষুদ্রঋণের ধারণার প্রবর্তক নন।] |
প্রশ্ন 3: In which year was Grameen Bank established? উত্তর: ১৯৮৩ সালে (Grameen Bank Ordinance, 1983)। |
প্রশ্ন 4: বর্তমান গ্রামীণ ব্যাংক 'গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প' রূপে কবে কাজ শুরু করে? উত্তর: ১৯৭৬ সালে। |
প্রশ্ন 5: গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে -- উত্তর: ২ অক্টোবর, ১৯৮৩। |
প্রশ্ন 6: গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা কত শতাংশ? উত্তর: ২৫%। |
প্রশ্ন 7: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে কোন সালে? উত্তর: ২০০৬ সালে। |
প্রশ্ন 8: গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়? উত্তর: মালয়েশিয়া |
প্রশ্ন 9: UNESCO proclaimed the year as the International Year of Microcredit. উত্তর: ২০০৫ সাল। |
প্রশ্ন 10: বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কি? উত্তর: ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (MRA — Microcredit Regulatory Authority)। |
প্রশ্ন 11: Grameen Bank is regulated directly by — উত্তর: Bangladesh Bank। |
✍️ লিখিত পরীক্ষার জন্য (Critical View) |
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে বিপ্লব এনেছে এবং বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে অনুসরণ করা হয়েছে। তবে ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার, নারীর উপর ঋণের চাপ এবং দলগত ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। মূল প্রশ্ন হলো — ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচন করে কি কেবল দারিদ্র্যকে পরিচালনাযোগ্য করে তোলে? |
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি |
📌 সংজ্ঞা: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (Social Safety Net) |
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী হলো সেই কর্মসূচির সমষ্টি যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও দুর্যোগকবলিত জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা, খাদ্য ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করে। এটি দারিদ্র্য বিমোচনের একটি মূল কৌশল। |
প্রেক্ষাপট আলোচনা |
বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। FY 2024-25-এ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বাজেটের প্রায় ১৬-১৭% বরাদ্দ ছিল। বর্তমানে ১০০টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
প্রধান কর্মসূচিগুলো হলো: VGD (ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট), VGF (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং), বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, টিআর (টেস্ট রিলিফ), কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ইত্যাদি।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
VGF: Vulnerable Group Feeding — দুর্যোগকবলিত দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা।
VGD: Vulnerable Group Development — দরিদ্র নারীদের জন্য খাদ্য ও উন্নয়ন কার্যক্রম।
কাবিখা: কাজের বিনিময়ে খাদ্য — গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে কাজের বিনিময়ে চাল/গম।
TR (টেস্ট রিলিফ): দুর্যোগকালে অস্থায়ী খাদ্য সহায়তা।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে GDP-র %: প্রায় ২.৫% (২০২৪-২৫)।
PKSF: Palli Karma-Sahayak Foundation — NGO-গুলোকে পাইকারি ঋণ প্রদানকারী।
'Leaving no one behind': এটি SDG (Sustainable Development Goals)-এর মূলনীতি।
কর্মসূচির নাম | লক্ষ্য গোষ্ঠী | ধরন |
VGF (Vulnerable Group Feeding) | দুর্যোগকবলিত দরিদ্র পরিবার | খাদ্য সহায়তা |
VGD (Vulnerable Group Development) | দরিদ্র নারী (বিশেষত গ্রামাঞ্চলে) | খাদ্য + প্রশিক্ষণ |
বয়স্ক ভাতা | ৬৫ বছরের উপরে বয়স্ক ব্যক্তি | নগদ সহায়তা |
বিধবা/স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা | বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারী | নগদ সহায়তা |
প্রতিবন্ধী ভাতা | প্রতিবন্ধী ব্যক্তি | নগদ সহায়তা |
মাতৃকালীন ভাতা | গর্ভবতী দরিদ্র নারী | নগদ সহায়তা |
কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) | গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষ | খাদ্য (শ্রমের বিনিময়ে) |
TR (টেস্ট রিলিফ) | দুর্যোগকালীন মানুষ | অস্থায়ী খাদ্য সহায়তা |
মনে রাখার কৌশল ও ট্রিকস |
★ মনে রাখুন: VGF = 'Feeding' (খাওয়ানো) | VGD = 'Development' (উন্নয়ন) — শেষের শব্দেই পার্থক্য। |
★ মনে রাখুন: 'কাবিখা' মনে রাখুন: 'কা-বি-খা' = 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য'। |
⚡ এক্সাম-টিপ: 'Leaving no one behind' = SDG-এর মূলনীতি (পরীক্ষায় MDG বিকল্প দেওয়া থাকতে পারে — সঠিক উত্তর SDG)। |
⚠️ সতর্কতা বিভ্রান্তিকর জোড়া: VGF বনাম VGD → VGF = Vulnerable Group Feeding (শুধু খাদ্য সহায়তা) → VGD = Vulnerable Group Development (খাদ্য + প্রশিক্ষণ + উন্নয়ন) বিভ্রান্তিকর তথ্য: 'Leaving no one behind = MDG-এর মূলনীতি' — ভুল। এটি SDG-এর মূলনীতি। বিভ্রান্তিকর তথ্য: VGF = 'Voluntary Group Funding' বা 'Village Group Funding' — উভয়ই ভুল। |
প্রশ্ন (Q&A) — সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী |
প্রশ্ন 1: VGF stands for --- উত্তর: Vulnerable Group Feeding। |
প্রশ্ন 2: VGF বলতে কি বুঝায়? উত্তর: Vulnerable Group Feeding — দুর্যোগকবলিত দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা। |
প্রশ্ন 3: 'Leaving no one behind' – কোনটির মূলনীতি? উত্তর: SDG (Sustainable Development Goals / টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)। |
প্রশ্ন 4: কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণ দেয়ার উদ্দেশ্য? উত্তর: আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। |
প্রশ্ন 5: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত কী করে উত্তর: দারিদ্র্য হ্রাস করে। |
প্রশ্ন 6: বাংলাদেশের কোন অর্থনৈতিক সেক্টরে বেশি কর্মসংস্থান হয়? উত্তর: কৃষি খাতে। |
✍️ লিখিত পরীক্ষার জন্য (Critical View) |
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী দারিদ্র্য বিমোচনের একটি প্রয়োজনীয় কিন্তু অপর্যাপ্ত হাতিয়ার। বাংলাদেশে ১০০টিরও বেশি কর্মসূচির সমন্বয়হীনতা এবং তালিকাভুক্তিতে লক্ষ্যমাত্রা বিচ্যুতি (Targeting Error) একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। Universal Basic Income (সর্বজনীন মৌলিক আয়) বা ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম (G2P — Government to Person) চালু করে এই সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা চলছে, যা দারিদ্র্য বিমোচনে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। |
⚡ চটজলদি রিভিশন — সম্পূর্ণ চ্যাপ্টার সারসংক্ষেপ |
★ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা — দ্রুত রিভিশন |
প্রবর্তক দেশ: সোভিয়েত ইউনিয়ন (১৯২৮)।
প্রণয়নকারী সংস্থা: পরিকল্পনা কমিশন (সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী)।
মোট পরিকল্পনা: ৮টি। ১ম: ১৯৭৩-৭৮। ৮ম: ২০২০-২০২৫।
দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৮-৮০ (কোনো পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নেই)।
৭ম FYP-এর প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৭.৪%।
★ ADP — দ্রুত রিভিশন |
ADP = Annual Development Programme (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি)।
মেয়াদ: ১ বছর।
প্রণয়নকারী: পরিকল্পনা বিভাগ | তদারকি: IMED।
ADP ২০২০-২১: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা।
ADP ২০০৫-০৬: ২১,৫০০ কোটি টাকা।
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬: ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা (৫৪তম বাজেট)।
★ দারিদ্র্য ও PRSP — দ্রুত রিভিশন |
PRSP = Poverty Reduction Strategy Paper।
২য় PRSP মেয়াদ: July 2009 - June 2014।
দারিদ্র্যের হার (HIES ২০২২): ১৮.৭% (জাতীয়)।
চরম দারিদ্র্যের হার (২০২২): ৫.৬%।
সর্বোচ্চ দারিদ্র্যের জেলা: কুড়িগ্রাম।
সর্বনিম্ন দারিদ্র্যের জেলা: নারায়ণগঞ্জ।
চরম দারিদ্র্য = দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ।
★ গ্রামীণ ব্যাংক ও সামাজিক নিরাপত্তা — দ্রুত রিভিশন |
গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প শুরু: ১৯৭৬ | প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৩ | আনুষ্ঠানিক: ২ অক্টোবর ১৯৮৩।
প্রতিষ্ঠাতা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নোবেল পুরস্কার: ২০০৬ সাল।
মালিকানা: ঋণগ্রহীতা ৭৫% + সরকার ২৫%।
VGF = Vulnerable Group Feeding।
'Leaving no one behind' = SDG-এর মূলনীতি।
MRA: ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (Microcredit Regulatory Authority)।