গোয়েন্দা সংস্থা

Chapter Activity

Rating
New / 5
Reviews
0
Read Sessions
0
Readers
0

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

গোয়েন্দা সংস্থা

১. গোয়েন্দা সংস্থা: ভূমিকাধারণা

গোয়েন্দা সংস্থা বা ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হলো একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গোপনশক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যার কাজ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দেশে-বিদেশে গোপন তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণগোপন অপারেশন পরিচালনা করাআধুনিক বিশ্বে কোনো রাষ্ট্রই গোয়েন্দা সংস্থা ছাড়া তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে নাযুদ্ধের ময়দানে যেমন সেনাবাহিনী লড়াই করে, তেমনি অদৃশ্য ময়দানে গোয়েন্দা সংস্থা দেশকে রক্ষা করে

প্রতিটি দেশে সাধারণত দুই ধরনের গোয়েন্দা সংস্থা থাকেপ্রথমত, বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (Foreign Intelligence) — যারা অন্য দেশে গোপন তথ্য সংগ্রহ করেযেমন: যুক্তরাষ্ট্রের CIA, যুক্তরাজ্যের MI6, ইসরায়েলের মোসাদদ্বিতীয়ত, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা (Domestic Security) — যারা নিজ দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদ, গুপ্তচরবৃত্তিঅপরাধ দমন করেযেমন: যুক্তরাষ্ট্রের FBI, যুক্তরাজ্যের MI5, ইসরায়েলের শিন বেটএছাড়া সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা থাকে যারা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য কাজ করেযেমন রাশিয়ার GRU, ইসরায়েলের আমান, বাংলাদেশের DGFI।

গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে। HUMINT (Human Intelligence) হলো মানব উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহঅর্থাগুপ্তচর বা এজেন্ট ব্যবহার করে। SIGINT (Signal Intelligence) হলো টেলিফোন, ইন্টারনেটযোগাযোগ মাধ্যমে আড়িপাতা। CYBINT হলো সাইবার জগতে গোয়েন্দাগিরিআর OSINT (Open Source Intelligence) হলো উন্মুক্ত সূত্র যেমন পত্রিকা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তথ্য বিশ্লেষণ

পরীক্ষায় আসে: CIA = বৈদেশিক, FBI = অভ্যন্তরীণ, NSA = সিগন্যাল/সাইবারএই তিনটির পার্থক্য বুঝে রাখলে অনেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব

২. CIA — সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (যুক্তরাষ্ট্র)

পূর্ণ নাম: Central Intelligence Agency | প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ | সদর দপ্তর: ল্যাংলি, ভার্জিনিয়া | ধরন: বৈদেশিক গোয়েন্দা

CIA বা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালীসবচেয়ে পরিচিত গোয়েন্দা সংস্থাএটি যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করেঅর্থাঅন্য দেশে গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন সামরিক-রাজনৈতিক অপারেশন চালানো এর প্রধান কাজ। CIA আমেরিকার মাটিতে কোনো গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাতে পারে নাসেটা FBI-র দায়িত্ব

ইতিহাসপ্রতিষ্ঠা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ছিল নাপ্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ১৯৪২ সালে OSS (Office of Strategic Services) গঠন করেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন জেনারেল উইলিয়াম 'ওয়াইল্ড বিল' ডোনোভানযাকে 'আমেরিকান গোয়েন্দা ব্যবস্থার জনক' বলা হয়যুদ্ধ শেষে ১৯৪৫ সালে OSS বিলুপ্ত হয়। ১৯৪৭ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান National Security Act স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে CIA আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়

উল্লেখযোগ্য অপারেশনঘটনা

CIA তার সাত দশকের ইতিহাসে অসংখ্য বিতর্কিতগোপন অপারেশন পরিচালনা করেছে। ১৯৫৩ সালে ইরানে 'অপারেশন অ্যাজাক্স'-এর মাধ্যমে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোসাদ্দেগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ১৯৫৪ সালে গুয়াতেমালায় সিআইএ-সমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। ১৯৬১ সালে কিউবায় 'বে অব পিগস' আক্রমণ ব্যর্থ হয়, যা সিআইএ-র ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিতশীতল যুদ্ধকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী গোপন অপারেশন পরিচালনা করেছে CIA। ২০১১ সালেরমে পাকিস্তানের অ্যাবটাবাদে 'অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার'-এ ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়, যেখানে CIA মূল গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছিল

সাংগঠনিক কাঠামো

CIA চারটি প্রধান ডিরেক্টরেটে বিভক্ত: (১) Directorate of Analysis — তথ্য বিশ্লেষণ, (২) Directorate of Operations — গোপন অপারেশনগুপ্তচর নিয়োগ, (৩) Directorate of Science and Technology — প্রযুক্তিগত গোয়েন্দা, এবং (৪) Directorate of Support — প্রশাসনিক সহায়তা। CIA-র বর্তমান ডিরেক্টর জন র্যাটক্লিফ (জানুয়ারি ২০২৫ থেকে)। CIA 'CIA World Factbook' নামে একটি বিশ্বকোষও প্রকাশ করে, যেখানে প্রতিটি দেশের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়

পরীক্ষায় আসে: CIA প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ সাল | সদর দপ্তর: ল্যাংলি, ভার্জিনিয়া | পূর্বসূরি: OSS | বে অব পিগস: ১৯৬১ | বিন লাদেন হত্যা: ২ মে ২০১১।

৩. MI6 (SIS) — সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (যুক্তরাজ্য)

পূর্ণ নাম: Secret Intelligence Service (SIS) | প্রতিষ্ঠা: ১৯০৯ | সদর দপ্তর: ভক্সহল ক্রস, লন্ডন | ধরন: বৈদেশিক গোয়েন্দা

MI6 বা SIS (Secret Intelligence Service) হলো যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিশ্বের প্রাচীনতমসবচেয়ে সুনামধন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি। 'MI6' নামটি এসেছে 'Military Intelligence, Section 6' থেকেযদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম Secret Intelligence Service। বিশ্বখ্যাত কাল্পনিক চরিত্র জেমস বন্ড (007) MI6-এর একজন গোয়েন্দা হিসেবে চিত্রিতযা এই সংস্থাকে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত করে তুলেছে

ইতিহাস

১৯০৯ সালে স্যার ম্যান্সফিল্ড কামিং-এর নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকারের গুপ্ত সার্ভিস ব্যুরো (Secret Service Bureau) প্রতিষ্ঠিত হয়, যার বৈদেশিক শাখা পরবর্তীতে MI6 হয়ে ওঠেপ্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান গুপ্তচরবৃত্তি প্রতিরোধে MI6 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির এনিগমা কোড ভাঙাইউরোপে প্রতিরোধ আন্দোলনে সহায়তা করা MI6-এর সবচেয়ে বিখ্যাত অবদানশীতল যুদ্ধকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ব্যাপক গোয়েন্দা কার্যক্রম চালায়তবে ১৯৬৩ সালে 'কেমব্রিজ ফাইভ' কেলেঙ্কারিতে MI6 কলঙ্কিত হয়পাঁচজন ব্রিটিশ গুপ্তচর সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য কাজ করছিলেন বলে প্রমাণিত হয়

▶ MI5 — অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা

MI5 (Security Service) হলো যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা। MI6 যেখানে বিদেশে কাজ করে, MI5 যুক্তরাজ্যের মাটিতে সন্ত্রাসবাদ দমন, গুপ্তচরবৃত্তি প্রতিরোধঅভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা করে। MI5-ও ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিতএছাড়া GCHQ (Government Communications Headquarters) হলো যুক্তরাজ্যের সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স সংস্থাযা আমেরিকার NSA-র সমতুল্য

পরীক্ষায় আসে: MI6 = বৈদেশিক গোয়েন্দা (SIS), MI5 = অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, GCHQ = সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্সতিনটিই যুক্তরাজ্যেরজেমস বন্ড MI6-এর চরিত্র

৪. KGB, SVR ও FSB — রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা

KGB — কেজিবি (বিলুপ্ত)

পূর্ণ নাম: Komitet Gosudarstvennoy Bezopasnosti | কার্যকাল: ১৯৫৪-১৯৯১ | সদর দপ্তর: লুবিয়াংকা, মস্কো | ধরন: বৈদেশিক + অভ্যন্তরীণ

KGB ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে ভয়ংকরশক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থাশীতল যুদ্ধকালে CIA-র প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। 'KGB' কথাটির রুশ অর্থ 'রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কমিটি'। CIA-র থেকে KGB-র একটি বড় পার্থক্য ছিল — CIA শুধু বিদেশে কাজ করত, কিন্তু KGB দেশের ভেতরে নিজ নাগরিকদের ওপরও ব্যাপক নজরদারি চালাত। KGB-র পূর্বসূরি ছিল চেকা (১৯১৭), NKVD ও MGB। শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনাগুলোর কেন্দ্রে ছিল KGB। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর KGB বিলুপ্ত হয়

একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলোরাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজে KGB-র একজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেনতিনি পূর্ব জার্মানিতে (ড্রেসডেন) KGB-র হয়ে কাজ করেছেন

SVR ও FSB — KGB-র উত্তরসূরি

১৯৯১ সালে KGB বিলুপ্ত হওয়ার পর এর কাজ দুটি আলাদা সংস্থায় ভাগ হয়ে যায়। SVR (Sluzhba Vneshney Razvedki) — বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা KGB-র বৈদেশিক শাখার উত্তরসূরি। FSB (Federal Security Service) — অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা, যা KGB-র গৃহ নিরাপত্তা শাখার উত্তরসূরিএছাড়া GRU হলো রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অধীনে কাজ করে। ২০১৮ সালে যুক্তরাজ্যে প্রাক্তন রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপালের বিষ প্রয়োগের ঘটনায় GRU-কে দায়ী করা হয়

পরীক্ষায় আসে: KGB বিলুপ্ত: ১৯৯১ | SVR = বৈদেশিক (KGB-র উত্তরসূরি) | FSB = অভ্যন্তরীণ | GRU = সামরিক | পুতিন সাবেক KGB এজেন্ট

৫. মোসাদইসরায়েলের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা

পূর্ণ নাম: HaMossad leModiʿin uleTafkidim Meyuḥadim | প্রতিষ্ঠা: ১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৯ | সদর দপ্তর: তেল আবিব | ধরন: বৈদেশিক গোয়েন্দা

মোসাদ হলো ইসরায়েলের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকরকার্যকর গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটিহিব্রু ভাষায় এর পূর্ণ নামের অর্থ 'বিশেষ দায়িত্বের জন্য গোয়েন্দাতদারকি ইনস্টিটিউট'। মোসাদ সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে কাজ করেকোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়

বিখ্যাত অপারেশন

মোসাদের সবচেয়ে বিখ্যাত অপারেশন হলো ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনা থেকে নাৎসি যুদ্ধাপরাধী এডল্ফ আইকম্যানকে গোপনে ধরে এনে ইসরায়েলে বিচারের সম্মুখীন করা। ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদ হত্যার প্রতিশোধে মোসাদ 'অপারেশন রিথ অব গড' পরিচালনা করে, যেখানে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ফিলিস্তিনি জঙ্গিদের একে একে বিভিন্ন দেশে গিয়ে হত্যা করা হয়এছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ব্যাহত করতে মোসাদ ইরানি পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের হত্যাসাইবার আক্রমণ (স্টাক্সনেট ভাইরাস) পরিচালনা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে

ইসরায়েলের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা

ইসরায়েলে মোট তিনটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছেমোসাদ ছাড়া শিন বেট (Shin Bet বা Shabak) হলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাএটি ইসরায়েলের মাটিতে সন্ত্রাসবাদগুপ্তচরবৃত্তি দমন করেআমান (Aman) হলো সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাএটি IDF-র (Israel Defense Forces) অধীনে কাজ করে

পরীক্ষায় আসে: মোসাদ = ইসরায়েল | প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ | প্রধানমন্ত্রীর অধীনে | আইকম্যান ধরা: ১৯৬০ | মিউনিখ প্রতিশোধ: ১৯৭২ | ইসরায়েলের ৩টি সংস্থা: মোসাদ, শিন বেট, আমান

৬. RAW (ভারত) ও ISI (পাকিস্তান)

RAW — রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং

পূর্ণ নাম: Research and Analysis Wing | প্রতিষ্ঠা: ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৮ | প্রতিষ্ঠাতা: রামনাথ কাও (R.N. Kao) | সদর দপ্তর: নয়াদিল্লি

RAW হলো ভারতের প্রধান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধে ভারতের গোয়েন্দা ব্যর্থতার পর এবং ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে ১৯৬৮ সালে RAW প্রতিষ্ঠা করা হয়এর প্রতিষ্ঠাতা রামনাথ কাও ভারতীয় গোয়েন্দা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। RAW-র সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সংগঠন, প্রশিক্ষণঅস্ত্র সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দালজিস্টিক সহায়তা প্রদানএছাড়া সিকিমের ভারতভুক্তি (১৯৭৫) ও শ্রীলঙ্কার তামিল সংকটেও RAW-র ভূমিকা ছিলভারতের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা হলো IB (Intelligence Bureau) — যা ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি

ISI — ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স

পূর্ণ নাম: Inter-Services Intelligence | প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ | সদর দপ্তর: ইসলামাবাদ | ধরন: ত্রি-বাহিনী যৌথ গোয়েন্দা

ISI পাকিস্তানের সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা এবং দেশটির রাজনীতি, সামরিকবৈদেশিক নীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল রিজভী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা মূলত সেনা, নৌবিমানবাহিনীর যৌথ গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৈরি হয়েছিলশীতল যুদ্ধকালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত আক্রমণের (১৯৭৯-১৯৮৯) সময় ISI আমেরিকার CIA-র সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় আফগান মুজাহিদিনদের প্রশিক্ষণঅস্ত্র সরবরাহ করে, যা ISI-কে বিশ্ব মানচিত্রে প্রভাবশালী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেতবে ২০০১-এর পর ISI তালেবানজঙ্গি সংগঠনের সাথে গোপন সম্পর্ক বজায় রাখার অভিযোগে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়ে

পরীক্ষায় আসে: RAW প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৮ | প্রতিষ্ঠাতা: রামনাথ কাও | ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা | ISI প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ | আফগান-সোভিয়েত যুদ্ধে CIA-র সাথে কাজ | IB বিশ্বের প্রাচীনতম গোয়েন্দা সংস্থার একটি (১৮৮৭)।

৭. DGFI ও NSI — বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা

DGFI — ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স

পূর্ণ নাম: Directorate General of Forces Intelligence | প্রতিষ্ঠা: ১৯৭২ | সদর দপ্তর: ঢাকা | ধরন: সামরিক গোয়েন্দা

DGFI বাংলাদেশের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে নবগঠিত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে DGFI প্রতিষ্ঠিত হয়এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং এর প্রধান সাধারণত একজন সামরিক কর্মকর্তা (সাধারণত মেজর জেনারেল বা সমপদের)। DGFI সশস্ত্র বাহিনী সংক্রান্ত গোয়েন্দা কার্যক্রম, সন্ত্রাসবাদ দমনজাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে

NSI — ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স

পূর্ণ নাম: National Security Intelligence | প্রতিষ্ঠা: ১৯৭২ | সদর দপ্তর: ঢাকা | ধরন: বেসামরিক জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা

NSI বাংলাদেশের প্রধান বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে কাজ করে। NSI-র প্রধান কাজ হলো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকি শনাক্তকরণ, রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহজাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদানএছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে SB (Special Branch) বা বিশেষ শাখা রয়েছে, যা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ হিসেবে কাজ করে

পরীক্ষায় আসে: DGFI = সামরিক গোয়েন্দা | NSI = বেসামরিক গোয়েন্দা | উভয়ই ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত | SB = পুলিশ গোয়েন্দা শাখা

৮. বিশ্বের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা

চীন — MSS

MSS (Ministry of State Security) চীনের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা বৈদেশিকঅভ্যন্তরীণ উভয় ক্ষেত্রে কাজ করেসাম্প্রতিক বছরগুলোতে MSS সাইবার গোয়েন্দাগিরি, শিল্প গুপ্তচরবৃত্তিপ্রযুক্তি চুরিতে ব্যাপকভাবে সক্রিয় বলে পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে আসছে

জার্মানি — BND

BND (Bundesnachrichtendienst) জার্মানির বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৫৬ সালে পশ্চিম জার্মানিতে CIA-র সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়শীতল যুদ্ধকালে পূর্ব জার্মানিসোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করতউল্লেখ্য, পূর্ব জার্মানির গোয়েন্দা সংস্থা ছিল স্টাসি (Stasi) — যা ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম নজরদারি ব্যবস্থার একটি; প্রতি ৬৩ জনেজন স্টাসি-র তথ্যদাতা ছিলেন

ফ্রান্স — DGSE

DGSE (Direction Générale de la Sécurité Extérieure) ফ্রান্সের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিতআফ্রিকামধ্যপ্রাচ্যে ফ্রান্সের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে DGSE মূল ভূমিকা পালন করে

Five Eyes গোয়েন্দা জোট

Five Eyes (FVEY) হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান জোটপাঁচটি ইংরেজিভাষী দেশযুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড — ১৯৪৬ সালের UKUSA Agreement-এর মাধ্যমে এই জোট গঠন করেএই পাঁচটি দেশ পরস্পরের গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করে এবং একে অপরের নাগরিকদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করে না বলে চুক্তিবদ্ধএর বিস্তৃত সংস্করণ হলো Nine Eyes (৯টি দেশ) ও Fourteen Eyes (১৪টি দেশ)।

মনে রাখার টিপস: Five Eyes = ৫টি ইংরেজিভাষী দেশ: যু-যু-কা-অ-নি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড)।

৯. সম্পূর্ণ মনে রাখার কৌশল

কৌশল ১ — যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি: CIA (বৈদেশিক) + FBI (অভ্যন্তরীণ) + NSA (সাইবার/সিগন্যাল) = তিন স্তরের নিরাপত্তা

কৌশল ২ — যুক্তরাজ্যের তিনটি: MI6 (বৈদেশিক) + MI5 (অভ্যন্তরীণ) + GCHQ (সিগন্যাল) = আমেরিকার প্যাটার্নের মতোই

কৌশল ৩ — রাশিয়ার পরিবর্তন: KGB (বিলুপ্ত ১৯৯১) → দুই ভাগ হয়ে SVR (বৈদেশিক) + FSB (অভ্যন্তরীণ)। পুতিন = সাবেক KGB।

কৌশল ৪ — ইসরায়েলের তিনটি: মোসাদ (বৈদেশিক) + শিন বেট (অভ্যন্তরীণ) + আমান (সামরিক) = তিন স্তর

কৌশল ৫ — দক্ষিণ এশিয়া: ভারত: RAW (বৈদেশিক, ১৯৬৮) + IB (অভ্যন্তরীণ, ১৮৮৭) | পাকিস্তান: ISI (যৌথ, ১৯৪৮) | বাংলাদেশ: DGFI (সামরিক) + NSI (বেসামরিক), উভয় ১৯৭২।

কৌশল ৬ — ভাষার ভিত্তিতে: ইংরেজি নাম: CIA, FBI, NSA, MI5, MI6, RAW, ISI, DGFI | রুশ: KGB, SVR, FSB | হিব্রু: মোসাদ, শিন বেট, আমান

কৌশল ৭ — বিলুপ্ত সংস্থা: KGB (সোভিয়েত), গেস্টাপো (নাৎসি জার্মানি), স্টাসি (পূর্ব জার্মানি), SAVAK (শাহ-র ইরান)।

১০. অনুশীলনী প্রশ্নোত্তর

ক. যুক্তরাষ্ট্র

1. CIA-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Central Intelligence Agency।

2. CIA কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯৪৭ সালে

3. CIA-র সদর দপ্তর কোথায়?

উত্তর: ল্যাংলি, ভার্জিনিয়া

4. CIA কোন আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: National Security Act, 1947।

5. CIA-র পূর্বসূরি সংস্থা কী ছিল?

উত্তর: OSS (Office of Strategic Services) — ১৯৪২-১৯৪৫।

6. FBI-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Federal Bureau of Investigation।

7. FBI কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগগোয়েন্দা সংস্থা

8. NSA-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: National Security Agency।

9. NSA কোন ধরনের কাজ করে?

উত্তর: সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) ও সাইবার নিরাপত্তা

10. ওসামা বিন লাদেন হত্যায় কোন সংস্থা মূল ভূমিকা রাখে?

উত্তর: CIA ও Navy SEALs — 'অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার', ২ মে ২০১১।

11. এডওয়ার্ড স্নোডেন কোন সংস্থার তথ্য ফাঁস করেন?

উত্তর: NSA (২০১৩ সালে)।

12. 'বে অব পিগস' কোন সংস্থার ব্যর্থ অভিযান?

উত্তর: CIA — ১৯৬১ সালে কিউবায়

খ. যুক্তরাজ্য

13. MI6-র আনুষ্ঠানিক নাম কী?

উত্তর: Secret Intelligence Service (SIS)।

14. MI6 কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯০৯।

15. MI6-র সদর দপ্তর কোথায়?

উত্তর: ভক্সহল ক্রস, লন্ডন

16. MI5 কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা (Security Service)।

17. GCHQ কোন দেশেরকী ধরনের?

উত্তর: যুক্তরাজ্যের; সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স সংস্থা

18. জেমস বন্ড কোন সংস্থার কাল্পনিক চরিত্র?

উত্তর: MI6 (SIS)।

19. 'কেমব্রিজ ফাইভ' কী?

উত্তর: যুক্তরাজ্যেরজন গুপ্তচর যারা সোভিয়েতের জন্য কাজ করতেন — MI6-এর ইতিহাসে বড় কেলেঙ্কারি

গ. রাশিয়া

20. KGB-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Komitet Gosudarstvennoy Bezopasnosti (Committee for State Security)।

21. KGB কবে বিলুপ্ত হয়?

উত্তর: ১৯৯১ সালে সোভিয়েত পতনের পর

22. KGB কোন দুটি সংস্থায় বিভক্ত হয়?

উত্তর: SVR (বৈদেশিক) ও FSB (অভ্যন্তরীণ)।

23. পুতিন কোন গোয়েন্দা সংস্থায় কাজ করতেন?

উত্তর: KGB — পূর্ব জার্মানিতে কর্মরত ছিলেন

24. GRU কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা

25. রাশিয়ার বর্তমান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?

উত্তর: SVR — Sluzhba Vneshney Razvedki

ঘ. ইসরায়েল

26. মোসাদ কোন দেশের সংস্থা?

উত্তর: ইসরায়েল

27. মোসাদ কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯৪৯।

28. মোসাদ কার অধীনে কাজ করে?

উত্তর: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি অধীনে

29. আইকম্যান ধরার অপারেশন কোন সংস্থার?

উত্তর: মোসাদ — ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনা থেকে নাৎসি যুদ্ধাপরাধী ধরে আনা হয়

30. শিন বেট কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা

31. আমান কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা

32. ইসরায়েলের কতটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা?

উত্তর: ৩টি — মোসাদ, শিন বেট, আমান

ঙ. দক্ষিণ এশিয়া

33. RAW-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Research and Analysis Wing।

34. RAW কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯৬৮।

35. RAW-র প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর: রামনাথ কাও (R.N. Kao)।

36. RAW ১৯৭১ সালে কী ভূমিকা রাখে?

উত্তর: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সংগঠনপ্রশিক্ষণে গোয়েন্দা সহায়তা

37. IB কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৮৮৭ — বিশ্বের প্রাচীনতম গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি

38. ISI-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Inter-Services Intelligence।

39. ISI কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯৪৮।

40. ISI কোন যুদ্ধে CIA-র সাথে কাজ করে?

উত্তর: আফগান-সোভিয়েত যুদ্ধ (১৯৭৯-১৯৮৯)।

চ. বাংলাদেশ

41. DGFI-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: Directorate General of Forces Intelligence।

42. DGFI কত সালে প্রতিষ্ঠিত?

উত্তর: ১৯৭২।

43. DGFI কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: সামরিক গোয়েন্দা

44. NSI-র পূর্ণ নাম কী?

উত্তর: National Security Intelligence।

45. NSI কোন ধরনের সংস্থা?

উত্তর: বেসামরিক জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা

46. বাংলাদেশ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার নাম কী?

উত্তর: SB (Special Branch) — বিশেষ শাখা

ছ. অন্যান্য দেশ

47. BND কোন দেশের?

উত্তর: জার্মানি (বৈদেশিক গোয়েন্দা, ১৯৫৬)।

48. DGSE কোন দেশের?

উত্তর: ফ্রান্স (বৈদেশিক গোয়েন্দা, ১৯৮২)।

49. MSS কোন দেশের?

উত্তর: চীন (Ministry of State Security, ১৯৮৩)।

50. ASIS কোন দেশের?

উত্তর: অস্ট্রেলিয়া (বৈদেশিক গোয়েন্দা, ১৯৫২)।

51. CSIS কোন দেশের?

উত্তর: কানাডা (জাতীয় নিরাপত্তা, ১৯৮৪)।

52. MIT কোন দেশের?

উত্তর: তুরস্ক (জাতীয় গোয়েন্দা, ১৯২৬)।

53. NAICHO কোন দেশের?

উত্তর: জাপান

54. GIP কোন দেশের?

উত্তর: সৌদি আরব

55. VAJA কোন দেশের?

উত্তর: ইরান

56. RGB কোন দেশের?

উত্তর: উত্তর কোরিয়া

জ. গোয়েন্দা জোট

57. Five Eyes কোন কোন দেশ নিয়ে গঠিত?

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড

58. Five Eyes কবে গঠিত?

উত্তর: ১৯৪৬ (UKUSA Agreement)।

59. Nine Eyes-এ Five Eyes ছাড়া কোন দেশগুলো?

উত্তর: ডেনমার্ক, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডসনরওয়ে

60. INTERPOL কি গোয়েন্দা সংস্থা?

উত্তর: নাআন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা; সদর দপ্তর লিয়ঁ, ফ্রান্স

ঝ. ঐতিহাসিক তথ্য

61. গেস্টাপো কোন দেশের ছিল?

উত্তর: নাৎসি জার্মানি (১৯৩৩-১৯৪৫)।

62. স্টাসি কোন দেশের ছিল?

উত্তর: পূর্ব জার্মানি (১৯৫০-১৯৯০)।

63. SAVAK কোন দেশের ছিল?

উত্তর: শাহ-র ইরান (১৯৫৭-১৯৭৯); CIA ও মোসাদের সহায়তায় গঠিত

64. বিশ্বের প্রাচীনতম গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?

উত্তর: IB (ভারত) — ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত

65. উইকিলিকস কী?

উত্তর: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ প্রতিষ্ঠিত তথ্য ফাঁসের ওয়েবসাইট (২০০৬)।

ঞ. দ্রুত রিভিশন (কোন দেশের কোন সংস্থা)

66. CIA

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র

67. FBI

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র

68. NSA

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র

69. MI6

উত্তর: যুক্তরাজ্য

70. MI5

উত্তর: যুক্তরাজ্য

71. GCHQ

উত্তর: যুক্তরাজ্য

72. KGB

উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়ন (বিলুপ্ত)

73. SVR

উত্তর: রাশিয়া

74. FSB

উত্তর: রাশিয়া

75. GRU

উত্তর: রাশিয়া

76. মোসাদ

উত্তর: ইসরায়েল

77. শিন বেট

উত্তর: ইসরায়েল

78. আমান

উত্তর: ইসরায়েল

79. RAW

উত্তর: ভারত

80. IB

উত্তর: ভারত

81. ISI

উত্তর: পাকিস্তান

82. DGFI

উত্তর: বাংলাদেশ

83. NSI

উত্তর: বাংলাদেশ

84. MSS

উত্তর: চীন

85. BND

উত্তর: জার্মানি

86. DGSE

উত্তর: ফ্রান্স

87. ASIS

উত্তর: অস্ট্রেলিয়া

88. CSIS

উত্তর: কানাডা

89. MIT

উত্তর: তুরস্ক

90. GIP

উত্তর: সৌদি আরব

91. NAICHO

উত্তর: জাপান

92. VAJA

উত্তর: ইরান

93. RGB

উত্তর: উত্তর কোরিয়া

94. গেস্টাপো

উত্তর: নাৎসি জার্মানি (বিলুপ্ত)

95. স্টাসি

উত্তর: পূর্ব জার্মানি (বিলুপ্ত)

96. SAVAK

উত্তর: ইরান (বিলুপ্ত)

97. SB

উত্তর: বাংলাদেশ (পুলিশ গোয়েন্দা)

98. DIA

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র (সামরিক গোয়েন্দা)

99. NRO

উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র (স্যাটেলাইট রিকনেসান্স)

100. ASIO

উত্তর: অস্ট্রেলিয়া (অভ্যন্তরীণ)

Review this chapter

You Can Also Read

Chapters closely related to the one you are reading now.

গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ।

No reviews
0 students
Read chapter

ছিটমহল ও দ্বীপ

No reviews
0 students
Read chapter

খেলাধুলা ও অলিম্পিক

No reviews
0 students
Read chapter

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ

No reviews
0 students
Read chapter

Most Read by Students

Popular picks getting the strongest student traffic right now.

অসহযোগ আন্দোলন (মার্চ ১৯৭১)

No reviews
1 student
Read chapter

নদী, সেতু, পাহাড়, দ্বীপ, বন, সমুদ্রবন্দর

No reviews
1 student
Read chapter

বাংলা ভাষার রীতি

No reviews
1 student
Read chapter

Others Who Read This Also Read

Behavior-based suggestions from student reading patterns where available.

গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ।

No reviews
0 students
Read chapter

ছিটমহল ও দ্বীপ

No reviews
0 students
Read chapter

খেলাধুলা ও অলিম্পিক

No reviews
0 students
Read chapter

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ

No reviews
0 students
Read chapter

Best Reviewed

Chapters earning the strongest student feedback.

গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ।

No reviews
0 students
Read chapter

ছিটমহল ও দ্বীপ

No reviews
0 students
Read chapter

খেলাধুলা ও অলিম্পিক

No reviews
0 students
Read chapter

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ

No reviews
0 students
Read chapter

Course Suggestions

Want a more guided path after this chapter? These courses are the closest fit.

Browse all courses
Learner fit৳1,999

Bangla

Bangla Language Mastery

Popular with BCS learners who want guided study.

6 lessons8.5h4.9 (186)1.3K students

By Sadia Rahman

View course
Learner fit৳2,999

Platform Building

Teacher Marketplace Blueprint

Popular with BCS learners who want guided study.

5 lessons6.8h4.9 (28)410 students

By Sadia Rahman

View course
FreeFree

English

Admission English Playbook

Free guided course with lessons you can jump into anytime.

4 lessons4.2h4.8 (91)2.8K students

By Rayan Akter

View course