শরণার্থী ও অভিবাসন

Chapter Activity

Rating
New / 5
Reviews
0
Read Sessions
0
Readers
0

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

শরণার্থীঅভিবাসন

Refugees & Migration

ভূমিকামৌলিক ধারণা

শরণার্থীঅভিবাসন বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মানবাধিকারভূরাজনীতির এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রযুদ্ধ, সংঘাত, নিপীড়ন, জলবায়ু পরিবর্তনঅর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ নিজ দেশ ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেবিসিএস, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঅন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসেবিশেষত রোহিঙ্গা সংকট, UNHCR এবং শরণার্থী কনভেনশন সম্পর্কিত

১.১ মৌলিক সংজ্ঞাপার্থক্য

পরিভাষা

সংজ্ঞাব্যাখ্যা

শরণার্থী (Refugee)

যে ব্যক্তি জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, নির্দিষ্ট সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্যতা বা রাজনৈতিক মতামতের কারণে নিপীড়নের ভয়ে নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে আশ্রয় নেয় (১৯৫১ কনভেনশন অনুযায়ী)।

আশ্রয়প্রার্থী (Asylum Seeker)

যে ব্যক্তি অন্য দেশে শরণার্থী মর্যাদার জন্য আবেদন করেছে কিন্তু এখনো তার আবেদন চূড়ান্ত হয়নি

অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত (IDP)

Internally Displaced Person — যে ব্যক্তি সংঘাত বা দুর্যোগের কারণে নিজ বাসস্থান ছাড়তে বাধ্য হয়েছে কিন্তু নিজ দেশের সীমানার মধ্যেই রয়েছেআন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করেনি

অভিবাসী (Migrant)

যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় জীবিকা, শিক্ষা বা অন্যান্য কারণে নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে বসবাস করেনিপীড়ন নয়, বরং উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় দেশান্তরী হয়

রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি (Stateless Person)

যে ব্যক্তিকে কোনো রাষ্ট্র তার নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় নাবিশ্বে প্রায় ৪২ লক্ষ রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি রয়েছে

নন-রিফাউলমেন্ট (Non-Refoulement)

শরণার্থী আইনের মূলনীতি: কোনো শরণার্থীকে এমন দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা হুমকির মুখে

পরীক্ষায় আসে: শরণার্থী = নিপীড়নের ভয়ে দেশ ত্যাগ (আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম), IDP = দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত, অভিবাসী = স্বেচ্ছায় দেশান্তরীNon-Refoulement = শরণার্থীকে বিপদে ফেরত পাঠানো যাবে না

মনে রাখুন

শরণার্থী ও IDP-র পার্থক্য: 'সীমানা' — শরণার্থী সীমানা পার করেছে, IDP করেনিশরণার্থী = Refugee (R = Run across border), IDP = Inside (I = Inside country)।

শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো

২.১ ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন (Refugee Convention)

পূর্ণ নাম: Convention Relating to the Status of Refugees

গৃহীত: ২৮ জুলাই, ১৯৫১ (জেনেভায়)।

কার্যকর: ২২ এপ্রিল, ১৯৫৪।

স্বাক্ষরকারী: ১৪৯টি দেশ (কনভেনশন ও/অথবা প্রটোকল)।

প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপীয় শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় প্রণীত

সীমাবদ্ধতা: মূল কনভেনশনে কেবল ১৯৫১ সালেরজানুয়ারির আগের ঘটনা এবং মূলত ইউরোপের শরণার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল

কনভেনশনের মূল বিষয়বস্তু

শরণার্থীর সংজ্ঞা: নিপীড়নের সুপ্রতিষ্ঠিত ভয়ে দেশ ত্যাগকারী ব্যক্তি

নন-রিফাউলমেন্ট: শরণার্থীকে বিপদে ফেরত পাঠানো নিষিদ্ধ (ধারা ৩৩)।

অধিকার: আশ্রয়দাতা দেশে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আদালতে প্রবেশাধিকার, ভ্রমণ নথি প্রাপ্তির অধিকার

বৈষম্যহীনতা: জাতি, ধর্ম বা উৎসদেশের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ

২.২ ১৯৬৭ সালের প্রটোকল

পূর্ণ নাম: Protocol Relating to the Status of Refugees

কার্যকর: অক্টোবর, ১৯৬৭।

গুরুত্ব: ১৯৫১ কনভেনশনের সময়গত (১ জানুয়ারি ১৯৫১-এর আগে) ও ভৌগোলিক (ইউরোপ) সীমাবদ্ধতা দূর করেএর ফলে কনভেনশন সার্বজনীন হয়ে ওঠে

গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন বা ১৯৬৭ সালের প্রটোকল কোনোটিতেই স্বাক্ষর করেনিতবে বাংলাদেশ Non-Refoulement নীতি মেনে চলে এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেবাংলাদেশের কোনো জাতীয় শরণার্থী আইনও নেই

২.৩ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল

দলিল

সাল

বিষয়

OAU শরণার্থী কনভেনশন

১৯৬৯

আফ্রিকায় শরণার্থী সমস্যার আঞ্চলিক সমাধান; যুদ্ধ, দখলবিদেশি আধিপত্যকে শরণার্থী হওয়ার কারণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে

কার্তাহেনা ঘোষণা

১৯৮৪

লাতিন আমেরিকায় শরণার্থী সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করে; সাধারণ সহিংসতাঅভ্যন্তরীণ সংঘাতকে অন্তর্ভুক্ত করে

গুয়াইডিং প্রিন্সিপলস অন ইন্টার্নাল ডিসপ্লেসমেন্ট

১৯৯৮

IDP-দের সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘ নির্দেশিকা; আইনত বাধ্যতামূলক নয়

নিউ ইয়র্ক ঘোষণা

২০১৬

শরণার্থীঅভিবাসীদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ঘোষণা; GCR ও GCM-এর ভিত্তি

গ্লোবাল কম্প্যাক্ট অন রিফিউজিস (GCR)

২০১৮

শরণার্থী সংকটে দায়িত্ব ভাগাভাগির বৈশ্বিক কাঠামো; আইনত বাধ্যতামূলক নয়

গ্লোবাল কম্প্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (GCM)

২০১৮

নিরাপদ, সুশৃঙ্খলনিয়মিত অভিবাসনের জন্য বৈশ্বিক কাঠামো; মারাকেশে গৃহীত

পরীক্ষায় আসে: ১৯৫১ কনভেনশন = শরণার্থী আইনের ভিত্তি, জেনেভা। ১৯৬৭ প্রটোকল = সময়গতভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা দূর করেবাংলাদেশ কোনোটিতেই স্বাক্ষর করেনিNon-Refoulement = ধারা ৩৩।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR)

পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees

প্রতিষ্ঠা: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে)।

কার্যক্রম শুরু: জানুয়ারি, ১৯৫১।

সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

বর্তমান হাইকমিশনার: ফিলিপ্পো গ্রান্দি (Filippo Grandi) — ইতালীয়, ২০১৬ সাল থেকে দায়িত্বে

কর্মী: বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৩৫টি দেশে ২০,০০০+ কর্মী

অর্থায়ন: মূলত স্বেচ্ছা অনুদানে পরিচালিত (সরকার, EU ও বেসরকারি খাত)।

UNHCR-এর কার্যাবলি

আন্তর্জাতিক সুরক্ষা: শরণার্থীদের অধিকার রক্ষাNon-Refoulement নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ

জরুরি সহায়তা: খাদ্য, পানি, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: তিনটি স্থায়ী সমাধান — (ক) স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন (Voluntary Repatriation), (খ) আশ্রয়দাতা দেশে স্থানীয় সংহতকরণ (Local Integration), (গ) তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন (Resettlement)।

রাষ্ট্রহীনতা হ্রাস: #IBelong ক্যাম্পেইন — ২০২৪ সালের মধ্যে রাষ্ট্রহীনতা দূরকরণের লক্ষ্য

UNHCR ও নোবেল শান্তি পুরস্কার

১৯৫৪: প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কারইউরোপীয় শরণার্থীদের সহায়তায়

১৯৮১: দ্বিতীয় নোবেল শান্তি পুরস্কারবিশ্বব্যাপী শরণার্থী সুরক্ষায় অবদানের জন্য

পরীক্ষায় আসে: UNHCR = ১৯৫০ প্রতিষ্ঠা, জেনেভা, দুইবার নোবেল (১৯৫৪ ও ১৯৮১)। তিনটি স্থায়ী সমাধান: প্রত্যাবাসন, সংহতকরণ, পুনর্বাসন

মনে রাখুন

UNHCR-এর দুই নোবেল: '৫৪ ও ৮১'। তিন সমাধান মনে রাখুন: 'প্র-স-পু' (প্রত্যাবাসন, সংহতকরণ, পুনর্বাসন)।

অভিবাসনশরণার্থী বিষয়ক অন্যান্য সংস্থা

সংস্থা

পূর্ণ নাম

সদর দপ্তর

বিশেষ তথ্য

IOM

International Organization for Migration

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

২০১৬ সালে জাতিসংঘের সম্পর্কিত সংস্থা হয়; ১৭৫+ সদস্য দেশ; প্রতিষ্ঠা ১৯৫১

UNRWA

UN Relief and Works Agency for Palestine Refugees

আম্মান, জর্ডান / গাজা

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য নিবেদিত; প্রতিষ্ঠা ১৯৪৯; ~৫৯ লক্ষ নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী

IDMC

Internal Displacement Monitoring Centre

জেনেভা

অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি পর্যবেক্ষণতথ্য সংগ্রহ

OCHA

UN Office for the Coordination of Humanitarian Affairs

নিউ ইয়র্কজেনেভা

মানবিক সহায়তা সমন্বয়; জরুরি পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সাড়া প্রদান

গুরুত্বপূর্ণ: UNHCR ও UNRWA-র পার্থক্য: UNHCR বিশ্বের সকল শরণার্থীর জন্য কাজ করে (ফিলিস্তিনি ব্যতীত), আর UNRWA শুধু ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কাজ করেফিলিস্তিনিরা UNHCR-এর আওতায় পড়ে না

বিশ্ব শরণার্থী পরিসংখ্যান

UNHCR-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্বে ১২ কোটিরও বেশি (১২০ মিলিয়ন+) মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত, যা মানব ইতিহাসে সর্বোচ্চ

সর্বাধিক শরণার্থী-উৎসদেশ (শরণার্থী প্রেরণকারী)

ক্রম

দেশ

আনুমানিক সংখ্যা

প্রধান কারণ

আফগানিস্তান

~৬৫ লক্ষ+

তালেবান শাসন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত, দারিদ্র্য

সিরিয়া

~৬৩ লক্ষ+

গৃহযুদ্ধ (২০১১ থেকে)

ইউক্রেন

~৬০ লক্ষ+

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (২০২২ থেকে)

ভেনেজুয়েলা

~৫৫ লক্ষ+

অর্থনৈতিকরাজনৈতিক সংকট

সুদান

~৩০ লক্ষ+

গৃহযুদ্ধ (২০২৩ থেকে)

মিয়ানমার

~১২ লক্ষ+

রোহিঙ্গা গণহত্যাসামরিক অভ্যুত্থান

সর্বাধিক শরণার্থী আশ্রয়দাতা দেশ

ক্রম

দেশ

আশ্রয়ে রাখা শরণার্থী

প্রধানত কোন দেশের শরণার্থী

ইরান

~৩৬ লক্ষ+

আফগানিস্তান

তুরস্ক

~৩৪ লক্ষ+

সিরিয়া

কলম্বিয়া

~২৯ লক্ষ+

ভেনেজুয়েলা

জার্মানি

~২৬ লক্ষ+

সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইউক্রেন

পাকিস্তান

~২০ লক্ষ+

আফগানিস্তান

বাংলাদেশ

~১০ লক্ষ+

মিয়ানমার (রোহিঙ্গা)

পরীক্ষায় আসে: সর্বাধিক শরণার্থী-উৎসদেশ: আফগানিস্তানসিরিয়া শীর্ষেসর্বাধিক আশ্রয়দাতা: ইরানতুরস্কবাংলাদেশে প্রায় ১০ লক্ষ+ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। (তথ্য পরিবর্তনশীলসর্বশেষ UNHCR রিপোর্ট দেখুন।)

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট

রোহিঙ্গা সংকট বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শরণার্থী সংকট এবং বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক শরণার্থী বিষয়বিসিএসপ্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

৬.১ রোহিঙ্গা কারা?

পরিচয়: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের (সাবেক আরাকান) মুসলিম জনগোষ্ঠী

জনসংখ্যা: প্রায় ২০ লক্ষ (আনুমানিক)।

নাগরিকত্ব: মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়তাদের 'বাঙালি' বা 'বিদেশি' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়

জাতিসংঘের অভিমত: রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী (Most Persecuted Minority)।

৬.২ সংকটের প্রধান ঘটনাপ্রবাহ

সময়

ঘটনা

১৯৭৮

'নাগামিন অপারেশন' — মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায়লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়পরে অধিকাংশ ফিরে যায়

১৯৮২

মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনরোহিঙ্গাদের ১৩৫টি স্বীকৃত জাতিগোষ্ঠীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে

১৯৯১-৯২

'অপারেশন পিন্থায়া' — আরেকটি সামরিক অভিযানে প্রায় ২.৫ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

২০১২

রাখাইনে সাম্প্রদায়িক সংঘাতরোহিঙ্গাদের IDP ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়

২০১৬ (অক্টোবর)

ARSA (Arakan Rohingya Salvation Army)-র সীমান্ত পুলিশ চৌকিতে হামলামিয়ানমার সেনাবাহিনীর 'ক্লিয়ারেন্স অপারেশন' শুরু

২০১৭ (২৫ আগস্ট)

সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান শুরুগণহত্যা, ধর্ষণ, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগপ্রায়লক্ষ+ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত শরণার্থী স্থানান্তর

২০১৯-২০

ICJ-তে গাম্বিয়া কর্তৃক মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা দায়ের। ICC-তেও তদন্ত শুরু

২০২১

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান (১ ফেব্রুয়ারি) — প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়ে

২০২৩-২৫

ভাসানচরে স্থানান্তর চলমান; মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের কারণে প্রত্যাবাসন অনিশ্চিতপাইলট প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ বিভিন্ন সময়ে আলোচিত

৬.৩ রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশ

আশ্রয়: কক্সবাজারের উখিয়াটেকনাফ উপজেলায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরকুতুপালং-বালুখালী

মোট সংখ্যা: প্রায় ১০-১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয়ে রয়েছে

ভাসানচর (Bhasan Char): নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার একটি চর-দ্বীপবাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের একাংশকে এখানে স্থানান্তর করেছেসক্ষমতা: প্রায়লক্ষ

প্রত্যাবাসন: বাংলাদেশমিয়ানমারের মধ্যে প্রত্যাবাসন চুক্তি হলেও কোনো উল্লেখযোগ্য প্রত্যাবাসন হয়নি

প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বারবার রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে

৬.৪ আন্তর্জাতিক বিচার

ICJ (International Court of Justice): গাম্বিয়া ২০১৯ সালে OIC-র পক্ষে ICJ-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের মামলা করে। ২০২০ সালে ICJ অন্তর্বর্তী আদেশ (Provisional Measures) জারি করে মিয়ানমারকে গণহত্যা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে বলে

ICC (International Criminal Court): ICC মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বিতাড়নের (Deportation) বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছেমিয়ানমার ICC সদস্য নয়, কিন্তু বাংলাদেশ সদস্য হওয়ায় ICC এখতিয়ার পেয়েছে

IIFFMM: জাতিসংঘের Independent International Fact-Finding Mission on Myanmar — রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অপরাধকে 'গণহত্যামূলক অভিপ্রায়' (Genocidal Intent) বলে চিহ্নিত করেছে

পরীক্ষায় আসে: রোহিঙ্গা: ১৯৮২ = নাগরিকত্ব হারায়, ২০১৭ = সবচেয়ে বড় গণবিতাড়ন, কুতুপালং = বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবির, গাম্বিয়া = ICJ-তে মামলা করেছে, OIC-র পক্ষে

মনে রাখুন

রোহিঙ্গা সংকটের গুরুত্বপূর্ণ সাল: '৮২-১৭-১৯-২১' — ১৯৮২ (নাগরিকত্ব আইন), ২০১৭ (গণবিতাড়ন), ২০১৯ (ICJ মামলা), ২০২১ (মিয়ানমারে অভ্যুত্থান)।

বিশ্বের অন্যান্য প্রধান শরণার্থী সংকট

সংকট

সময়কাল

প্রধান আশ্রয়দাতা

বিশেষ তথ্য

সিরীয় সংকট

২০১১ থেকে চলমান

তুরস্ক, লেবানন, জর্ডান, জার্মানি

~৬৩ লক্ষ+ শরণার্থী; ২০১৫ সালে ইউরোপীয় শরণার্থী সংকট

ইউক্রেন সংকট

২০২২ থেকে

পোল্যান্ড, জার্মানি, চেক প্রজাতন্ত্র

~৬০ লক্ষ+ শরণার্থী ইউরোপে; ইতিহাসের দ্রুততম শরণার্থী সংকটগুলোর একটি

আফগান সংকট

১৯৭৯ থেকে (বিভিন্ন পর্যায়)

পাকিস্তান, ইরান

দীর্ঘতম শরণার্থী সংকটগুলোর একটি; তালেবান ক্ষমতা দখলে (২০২১) পুনরায় বৃদ্ধি

ভেনেজুয়েলা সংকট

২০১৪ থেকে

কলম্বিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, ব্রাজিল

~৫৫ লক্ষ+ বাস্তুচ্যুত; অর্থনৈতিক পতনরাজনৈতিক সংকট

সুদান সংকট

২০২৩ থেকে

চাদ, দক্ষিণ সুদান, মিশর

সেনাবাহিনী ও RSF-র মধ্যে গৃহযুদ্ধ; ~৩০ লক্ষ+ বাস্তুচ্যুত

ফিলিস্তিনি সংকট

১৯৪৮ থেকে

জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, পশ্চিম তীর, গাজা

বিশ্বের দীর্ঘতম শরণার্থী সংকট; ~৫৯ লক্ষ UNRWA নিবন্ধিত; ২০২৩-২৪ গাজা যুদ্ধে নতুন বাস্তুচ্যুতি

দক্ষিণ সুদান সংকট

২০১৩ থেকে

উগান্ডা, সুদান, ইথিওপিয়া

~২৩ লক্ষ+ শরণার্থী; গৃহযুদ্ধদুর্ভিক্ষ

পরীক্ষায় আসে: দীর্ঘতম শরণার্থী সংকট = ফিলিস্তিনি (১৯৪৮ থেকে)। ইউরোপীয় শরণার্থী সংকট (২০১৫) = সিরীয় গৃহযুদ্ধের ফলে। ২০২৩-এ সুদানে নতুন বড় সংকট শুরু হয়

আন্তর্জাতিক অভিবাসন (International Migration)

৮.১ অভিবাসনের প্রকারভেদ

স্বেচ্ছা অভিবাসন (Voluntary Migration): কর্মসংস্থান, শিক্ষা বা উন্নত জীবনের জন্য স্বেচ্ছায় দেশান্তর

বলপূর্বক অভিবাসন (Forced Migration): যুদ্ধ, নিপীড়ন, দুর্যোগের কারণে বাধ্যতামূলক দেশত্যাগ

অনিয়মিত অভিবাসন (Irregular Migration): বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রম

জলবায়ু অভিবাসন (Climate Migration): জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, খরা বা বন্যার কারণে দেশত্যাগ

ডায়াসপোরা (Diaspora): মাতৃভূমি থেকে দূরে ছড়িয়ে থাকা জনগোষ্ঠী (যেমন: ইহুদি ডায়াসপোরা, বাংলাদেশি প্রবাসী)।

৮.২ বিশ্বে অভিবাসনের পরিসংখ্যান

মোট আন্তর্জাতিক অভিবাসী: প্রায় ২৮১ মিলিয়ন (২৮ কোটি+) — বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৩.৬%।

শীর্ষ গন্তব্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র (সবচেয়ে বেশি অভিবাসী), জার্মানি, সৌদি আরব, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য

শীর্ষ অভিবাসী-প্রেরক দেশ: ভারত, মেক্সিকো, রাশিয়া, চীন, সিরিয়া

প্রবাসী আয় (Remittance): ২০২৩ সালে উন্নয়নশীল দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ~৬৫৬ বিলিয়ন ডলার

৮.৩ ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট

আফ্রিকামধ্যপ্রাচ্য থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী প্রাণ হারাচ্ছে। ২০১৫ সালে সিরীয় শিশু আয়লান কুর্দির মৃতদেহের ছবি বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ইউরোপীয় অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনে

পরীক্ষায় আসে: বিশ্বে মোট অভিবাসী = ~২৮ কোটি+। সবচেয়ে বেশি অভিবাসী গ্রহণকারী দেশ = যুক্তরাষ্ট্রসবচেয়ে বেশি অভিবাসী-প্রেরক দেশ = ভারত

বাংলাদেশঅভিবাসন

৯.১ প্রবাসী বাংলাদেশি (Bangladeshi Diaspora)

মোট প্রবাসী: প্রায়কোটি+ বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত বা বসবাসরত

প্রধান গন্তব্য: সৌদি আরব, UAE, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান, কাতার, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি

রেমিট্যান্স: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ২১-২৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়: প্রবাসী কল্যাণবৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

BMET: Bureau of Manpower, Employment and Training — জনশক্তি রপ্তানি ব্যবস্থাপনার প্রধান সংস্থা

WEWB: Wage Earners' Welfare Board — প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিল

৯.২ বাংলাদেশে শরণার্থী পরিস্থিতি

রোহিঙ্গা শরণার্থী: প্রায় ১০-১২ লক্ষ (কক্সবাজারভাসানচরে)।

১৯৭১ সালে: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায়কোটি বাংলাদেশি ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী গমনগুলোর একটি

বিহারি (স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানি): ১৯৭১-এর পর আটকে পড়া বিহারি জনগোষ্ঠীদীর্ঘদিন রাষ্ট্রহীন ছিল। ২০০৮ সালে হাইকোর্টের রায়ে তারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পায়

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ রেমিট্যান্সের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। ১৯৫১ কনভেনশন ও ১৯৬৭ প্রটোকলে স্বাক্ষর করেনি তবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশিরা নিজেরাই ছিল বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী দলের একটি

জলবায়ু পরিবর্তনঅভিবাসন

জলবায়ু পরিবর্তন ক্রমশ অভিবাসনের একটি প্রধান কারণ হয়ে উঠছেসমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়মরুকরণের কারণে কোটি কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে

বিশ্ব ব্যাংকের পূর্বাভাস: ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২১.৬ কোটি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হতে পারে

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল: দক্ষিণ এশিয় (বিশেষত বাংলাদেশ), সাহারা-নিম্ন আফ্রিকা, ক্ষুদ্র দ্বীপ-রাষ্ট্রসমূহ

বাংলাদেশ: সমুদ্রপৃষ্ঠমিটার বাড়লে বাংলাদেশের ১৭% ভূমি তলিয়ে যেতে পারে; প্রায়কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে

জলবায়ু শরণার্থী: বর্তমান আন্তর্জাতিক আইনে 'জলবায়ু শরণার্থী' (Climate Refugee) বলে কোনো আইনগত মর্যাদা নেই। ১৯৫১ কনভেনশনে জলবায়ুকে নিপীড়নের কারণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি

গুরুত্বপূর্ণ: 'জলবায়ু শরণার্থী' আইনত স্বীকৃত কোনো শ্রেণি নয়। ১৯৫১ কনভেনশন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতিকে শরণার্থী হওয়ার কারণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেনিতবে এটি একটি ক্রমবর্ধমান আলোচনার বিষয়

সামগ্রিক মনে রাখার কৌশল

১১.১ মূল চুক্তিসাল

বিষয়

সাল

মনে রাখার কৌশল

শরণার্থী কনভেনশন

১৯৫১

'৫১-তে সই' — UNHCR-ও একই বছর কাজ শুরু করে

প্রটোকল (সীমাবদ্ধতা দূর)

১৯৬৭

'৬৭-তে সার্বজনীন' — সময়ভূগোলের সীমা মুক্ত

UNHCR প্রতিষ্ঠা

১৯৫০

'৫০-তে গঠন, ৫১-তে কাজ শুরু'

UNHCR নোবেল

১৯৫৪, ১৯৮১

'৫৪ ও ৮১ — দুইবার নোবেল'

UNRWA প্রতিষ্ঠা

১৯৪৯

'ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার (১৯৪৮) পরের বছর'

রোহিঙ্গা নাগরিকত্ব হারায়

১৯৮২

'৮২-তে আইন, নাগরিকত্ব শেষ'

রোহিঙ্গা গণবিতাড়ন

২০১৭

'১৭-তে ৭ লক্ষ' — ২৫ আগস্ট

GCR ও GCM

২০১৮

'১৮-তে দুই গ্লোবাল কম্প্যাক্ট'

১১.২ শরণার্থী vs IDP vs অভিবাসী

মনে রাখুন

শরণার্থী = বর্ডার পেরিয়েছে + নিপীড়ন, IDP = বর্ডার পেরোয়নি + বাধ্যতামূলক, অভিবাসী = বর্ডার পেরিয়েছে + স্বেচ্ছায়মূল পার্থক্য দুটি: (১) সীমানা অতিক্রম হয়েছে কি না, (২) জোরপূর্বক নাকি স্বেচ্ছায়

প্রশ্নউত্তর

নং

প্রশ্ন

উত্তর

1

শরণার্থী (Refugee)-র আইনগত সংজ্ঞা কোন চুক্তিতে দেওয়া হয়েছে?

১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন (জেনেভা)

2

Non-Refoulement নীতি কী?

শরণার্থীকে এমন দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা হুমকির মুখে (ধারা ৩৩)

3

IDP কী?

Internally Displaced Person — নিজ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত, আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করেনি

4

১৯৬৭ প্রটোকলের গুরুত্ব কী?

১৯৫১ কনভেনশনের সময়গতভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা দূর করে একে সার্বজনীন করেছে

5

বাংলাদেশ কি ১৯৫১ কনভেনশন বা ১৯৬৭ প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছে?

না, কোনোটিতেই স্বাক্ষর করেনি

6

UNHCR কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ (কার্যক্রম: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১)

7

UNHCR-এর সদর দপ্তর কোথায়?

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

8

UNHCR কতবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে?

দুইবার — ১৯৫৪ ও ১৯৮১

9

UNHCR-এর তিনটি স্থায়ী সমাধান কী?

স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন, স্থানীয় সংহতকরণ, তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন

10

UNRWA কাদের জন্য কাজ করে?

শুধু ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য

11

IOM-এর পূর্ণ নাম কী?

International Organization for Migration; সদর দপ্তর: জেনেভা

12

রোহিঙ্গারা কোথাকার জনগোষ্ঠী?

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের (সাবেক আরাকান) মুসলিম জনগোষ্ঠী

13

রোহিঙ্গারা কবে নাগরিকত্ব হারায়?

১৯৮২ সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে

14

২০১৭ সালে কত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে?

প্রায়লক্ষ+ (২৫ আগস্ট থেকে)

15

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির কোনটি?

কুতুপালং-বালুখালী, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

16

ICJ-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোন দেশ মামলা করেছে?

গাম্বিয়া (OIC-র পক্ষে, ২০১৯)

17

ভাসানচর কোথায় অবস্থিত?

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায়

18

বিশ্বের দীর্ঘতম শরণার্থী সংকট কোনটি?

ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংকট (১৯৪৮ থেকে)

19

২০২২ সালের ইউক্রেন সংকটে কত শরণার্থী ইউরোপে যায়?

~৬০ লক্ষ+

20

GCR কী?

Global Compact on Refugees (২০১৮) — শরণার্থী সংকটে দায়িত্ব ভাগাভাগির বৈশ্বিক কাঠামো

21

GCM কোথায় গৃহীত হয়?

মারাকেশ, মরক্কো (২০১৮)

22

'জলবায়ু শরণার্থী' কি আইনত স্বীকৃত?

না, ১৯৫১ কনভেনশনে জলবায়ু কারণে শরণার্থী মর্যাদার বিধান নেই

23

সবচেয়ে বেশি শরণার্থী আশ্রয় দিচ্ছে কোন দেশ?

ইরানতুরস্ক (তথ্য পরিবর্তনশীল)

24

সবচেয়ে বেশি শরণার্থী কোন দেশ থেকে আসছে?

আফগানিস্তানসিরিয়া (তথ্য পরিবর্তনশীল)

25

১৯৭১ সালে কত বাংলাদেশি ভারতে শরণার্থী হয়?

প্রায়কোটি

26

কার্তাহেনা ঘোষণা কত সালে?

১৯৮৪ (লাতিন আমেরিকায় শরণার্থী সংজ্ঞা সম্প্রসারিত)

27

বিশ্বে মোট আন্তর্জাতিক অভিবাসী কত?

প্রায় ২৮১ মিলিয়ন (২৮ কোটি+)

28

সবচেয়ে বেশি অভিবাসী গ্রহণকারী দেশ কোনটি?

যুক্তরাষ্ট্র

29

রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি (Stateless Person) কে?

যাকে কোনো রাষ্ট্র নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না

30

নিউ ইয়র্ক ঘোষণা কবে?

২০১৬ (GCR ও GCM-এর ভিত্তি)

Review this chapter

You Can Also Read

Chapters closely related to the one you are reading now.

যুদ্ধ ও সংঘাত

No reviews
0 students
Read chapter

সামরিক জোট

No reviews
0 students
Read chapter

মুদ্রা, রাজধানী ও পার্লামেন্ট

No reviews
0 students
Read chapter

সাম্প্রতিক নির্বাচন ও সরকার প্রধান

No reviews
0 students
Read chapter

মহাদেশ পরিচিতি

No reviews
0 students
Read chapter

Most Read by Students

Popular picks getting the strongest student traffic right now.

অসহযোগ আন্দোলন (মার্চ ১৯৭১)

No reviews
1 student
Read chapter

নদী, সেতু, পাহাড়, দ্বীপ, বন, সমুদ্রবন্দর

No reviews
1 student
Read chapter

বাংলা ভাষার রীতি

No reviews
1 student
Read chapter

Others Who Read This Also Read

Behavior-based suggestions from student reading patterns where available.

যুদ্ধ ও সংঘাত

No reviews
0 students
Read chapter

সামরিক জোট

No reviews
0 students
Read chapter

মুদ্রা, রাজধানী ও পার্লামেন্ট

No reviews
0 students
Read chapter

সাম্প্রতিক নির্বাচন ও সরকার প্রধান

No reviews
0 students
Read chapter

মহাদেশ পরিচিতি

No reviews
0 students
Read chapter

Best Reviewed

Chapters earning the strongest student feedback.

যুদ্ধ ও সংঘাত

No reviews
0 students
Read chapter

সামরিক জোট

No reviews
0 students
Read chapter

মুদ্রা, রাজধানী ও পার্লামেন্ট

No reviews
0 students
Read chapter

সাম্প্রতিক নির্বাচন ও সরকার প্রধান

No reviews
0 students
Read chapter

মহাদেশ পরিচিতি

No reviews
0 students
Read chapter

Course Suggestions

Want a more guided path after this chapter? These courses are the closest fit.

Browse all courses
Learner fit৳1,999

Bangla

Bangla Language Mastery

Popular with BCS learners who want guided study.

6 lessons8.5h4.9 (186)1.3K students

By Sadia Rahman

View course
Learner fit৳2,999

Platform Building

Teacher Marketplace Blueprint

Popular with BCS learners who want guided study.

5 lessons6.8h4.9 (28)410 students

By Sadia Rahman

View course
FreeFree

English

Admission English Playbook

Free guided course with lessons you can jump into anytime.

4 lessons4.2h4.8 (91)2.8K students

By Rayan Akter

View course