তদ্ভব শব্দ

Chapter Activity

Rating
New / 5
Reviews
0
Read Sessions
0
Readers
0

তদ্ভব শব্দ

১. সংজ্ঞা, ব্যুৎপত্তি ও অধ্যায়ের উদ্দেশ্য

অধ্যায়ের শুরুতেই যা মনে রাখতে হবে

তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব সংস্কৃতজাত শব্দ, যেগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় আসেনি; প্রাকৃত–অপভ্রংশসহ মধ্যবর্তী স্তর অতিক্রম করে ধ্বনিগত ও রূপগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে।

বাংলা ভাষার স্বাভাবিক, কথ্য ও দেশজ স্বাদের একটি বড় অংশ তদ্ভব শব্দে গঠিত।

MCQ-তে তদ্ভব শব্দ চেনার মূল কৌশল: শব্দটির তৎসম রূপ, সম্ভাব্য ধ্বনি-পরিবর্তন, এবং অর্ধ-তৎসম/দেশি/বিদেশি শব্দের সঙ্গে পার্থক্য একসঙ্গে দেখতে হবে।

সব ব্যাকরণগ্রন্থে সব উদাহরণের শ্রেণিবিন্যাস এক নয়; তাই এই অধ্যায়ে ‘প্রচলিত’, ‘বিতর্কিত’ ও ‘সতর্কতা’ আলাদা করে দেখানো হয়েছে।

বিষয়

তথ্য

মূল ধারণা

সংস্কৃত → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা; সরাসরি ধার করা নয়, বিবর্তিত রূপ

পরীক্ষায় গুরুত্ব

সংজ্ঞা, শ্রেণিবিভাগ, তৎসম–অর্ধতৎসম–তদ্ভব পার্থক্য, উদাহরণ শনাক্তকরণ

সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত ক্ষেত্র

দেহাঙ্গ, সংখ্যা, গৃহস্থালি, দৈনন্দিন জীবন, আত্মীয়তা, প্রকৃতি

প্রধান ফাঁদ

গিন্নি, নেমন্তন্ন, ঘেন্না, খিদে ইত্যাদি অর্ধ-তৎসম; সব ‘চলতি’ রূপ তদ্ভব নয়

বিশেষ সতর্কতা

কিছু শব্দের ব্যুৎপত্তি ও শ্রেণি নিয়ে ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে; সেগুলো আলাদা টেবিলে রাখা হয়েছে

২. তদ্ভব শব্দের সংজ্ঞা

তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব সংস্কৃতজাত শব্দ, যেগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় গৃহীত হয়নি; বরং প্রাকৃত ও অপভ্রংশসহ মধ্যবর্তী ভাষাস্তর অতিক্রম করে ধ্বনিগত ও রূপগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে।

ধারণা

ব্যাখ্যা

তদ্ভব

‘তৎ’ + ‘ভব’ = ‘তা থেকে উৎপন্ন’; এখানে ‘তা’ বলতে সংস্কৃত ভাষা

উৎপত্তিপথ

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা/সংস্কৃত → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → প্রাচীন/মধ্য বাংলা → আধুনিক বাংলা

ভাষাতাত্ত্বিক প্রকৃতি

উত্তরাধিকারসূত্রে আগত সংস্কৃতজাত শব্দ; ধ্বনি ও রূপে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে

বাংলায় মর্যাদা

খাঁটি বাংলা শব্দভাণ্ডারের প্রধান ভরকেন্দ্র হিসেবে বহু ব্যাকরণে বর্ণিত

ব্যবহারক্ষেত্র

কথ্য ভাষা, লোকভাষা, প্রবাদ, পল্লিজীবন, আখ্যান, আঞ্চলিক ও আবেগঘন প্রকাশ

৩. বাংলা শব্দভাণ্ডারে তদ্ভবের স্থান

বাংলা শব্দভাণ্ডারের পাঁচটি প্রধান উৎসভিত্তিক শ্রেণি—তৎসম অর্ধ-তৎসম তদ্ভব দেশি বিদেশি

শ্রেণি

কীভাবে আসে

উদাহরণ

পরীক্ষায় ধরার কৌশল

তৎসম

সংস্কৃত থেকে প্রায় অপরিবর্তিতভাবে গৃহীত

হস্ত, কর্ণ, রাত্রি, নিমন্ত্রণ, গৃহিণী

শিক্ষিত/লেখ্য ভাষায় বেশি

অর্ধ-তৎসম

সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসে লোকমুখে কিছুটা বদলেছে

নেমন্তন্ন, গিন্নি, খিদে, ঘেন্না, জোছনা

তৎসমের চেয়ে নরম, তদ্ভবের চেয়ে কম পরিবর্তিত

তদ্ভব

প্রাকৃত-অপভ্রংশ হয়ে বিবর্তিত রূপ

হাত, কান, রাত, ঘর, মাছ

দৈনন্দিন ও উত্তরাধিকারসূত্রে গঠিত বাংলা রূপ

দেশি

অনার্য/দেশীয় উৎস থেকে আগত

ডাব, ঝাঁটা, কুলা, উঁকি

সংস্কৃত-উৎস নয়

বিদেশি

আরবি-ফারসি-পর্তুগিজ-ইংরেজি প্রভৃতি উৎস

সাবান, আলমারি, দরবার, অফিস

ঋণশব্দ

৪. ঐতিহাসিক বিকাশ

তদ্ভব শব্দের প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে হলে ভাষার বিবর্তন-ধারা দেখা জরুরি।

স্তর

মূল বৈশিষ্ট্য

সংস্কৃত/প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা

মূল ধাতু ও শব্দরূপের উৎস; তৎসম ও তদ্ভব উভয়ের উৎসস্তর

প্রাকৃত স্তর

সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় ধ্বনি-সরলীকরণ শুরু; বহু যুক্তব্যঞ্জন ভাঙে

অপভ্রংশ স্তর

আরও ধ্বনিগত রূপান্তর, স্বরসংযোগ, ব্যঞ্জনলোপ, উচ্চারণগত স্বাভাবিকীকরণ

প্রাচীন বাংলা

বিবর্তিত রূপ স্থানীয় ভাষাচর্চায় স্থিতিশীল হতে শুরু করে

মধ্য বাংলা

পদাবলি, মঙ্গলকাব্য, লোকসাহিত্য ও কথ্যরূপে তদ্ভব শব্দের বিস্তার বৃদ্ধি

আধুনিক বাংলা

তদ্ভব শব্দ দৈনন্দিন বাংলা ও সাহিত্যিক ব্যবহারে সমান্তরালভাবে বহাল

৫. তদ্ভব শব্দ গঠনের সাধারণ ধাপ

সংস্কৃতের জটিল যুক্তব্যঞ্জন সাধারণ মানুষের মুখে সহজ হয়

্রাকৃত স্তরে উচ্চারণভিত্তিক পরিবর্তন শুরু হয়।

অপভ্রংশ স্তরে আরও ভাঙন, স্বরসংযোগ ও রূপসংক্ষিপ্তি ঘটে।

বাংলায় এসে শব্দটি স্বাভাবিক, মুখের ভাষাসুলভ ও স্থানীয় রূপ পায়।

সংস্কৃত রূপ

মধ্যবর্তী রূপ (প্রাকৃত/অপভ্রংশধর্মী)

বাংলা তদ্ভব

বিশেষ মন্তব্য

অদ্য

অজ্জ

আজ

dy → jj → জ; রূপ সংক্ষিপ্ত

হস্ত

হত্থ

হাত

স্ত → ত্থ → ত; স্বর দীর্ঘায়ন

মৎস্য

মচ্ছ

মাছ

ৎস্য/চ্ছ ধ্বনি সরলীকরণ

দুগ্ধ

দুধ্ধ

দুধ

গ্ধ ক্লাস্টার ভেঙে সহজ উচ্চারণ

কাষ্ঠ

কট্ঠ/কাঠ্ঠ

কাঠ

ষ্ঠ → ঠ

চন্দ্র

চন্দ

চাঁদ

ন্দ্র সরল; নাসিক্যতা যুক্ত

স্বর্ণ

সোন্ন

সোনা

র্ণ/স্ব ধ্বনি বদল ও স্বরসংযোগ

ভক্ত

ভত্ত

ভাত

ক্ত → ত্ত → ত; স্বর দীর্ঘ

তৈল

তেল

তেল

ৈ ধ্বনি সরল হয়ে ে

বধূ

বহু

বউ

ধূ ধ্বনির রূপান্তর; দ্বিস্বর যুক্ত

ঘৃত

ঘি/ঘিদ

ঘি

ব্যঞ্জন লোপে রূপ ক্ষুদ্র

একাদশ

এগারহ

এগারো

দশক সংখ্যা-বিবর্তনের আদর্শ উদাহরণ

অষ্টাদশ

আঠারহ

আঠারো

ষ্টা → ঠা; ধ্বনি ও মাত্রা পরিবর্তন

উপাধ্যায়

উবজ্ঝায়/ওঝা

ওঝা

দীর্ঘ বিবর্তন; পেশানির্দেশক তদ্ভব

৬. তদ্ভব শব্দ শনাক্তকরণের লক্ষণ

লক্ষণ

ব্যাখ্যা

রূপগত পরিবর্তন

তৎসমের মতো অপরিবর্তিত নয়; ধ্বনি-রূপে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়

উচ্চারণে স্বাভাবিকতা

কথ্য উচ্চারণের সঙ্গে সহজে মিশে যায়; মুখে বলতে আরামদায়ক

যুক্তব্যঞ্জন সরলীকরণ

হস্ত→হাত, মৎস্য→মাছ, কাষ্ঠ→কাঠ

স্বরবদল

অদ্য→আজ, তৈল→তেল, স্বর্ণ→সোনা

ব্যঞ্জনলোপ/রূপসংক্ষিপ্তি

রাত্রি→রাত, গাত্র→গা, ঘৃত→ঘি

বাংলা-ঘেঁষা অনুভব

এই শব্দগুলোকে অনেক ব্যাকরণে ‘খাঁটি বাংলা’ বলেও নির্দেশ করা হয়

৭. ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রধান নিয়ম

ধ্বনিগত প্রক্রিয়া

কী ঘটে

উদাহরণ

যুক্তব্যঞ্জন ভাঙন

জটিল ব্যঞ্জনসমষ্টি সহজ হওয়া

হস্ত→হাত, মৎস্য→মাছ, কাষ্ঠ→কাঠ, রাত্রি→রাত

মহাপ্রাণ/ঘর্ষধ্বনি সরলীকরণ

উচ্চারণের চাপ কমে সহজ ধ্বনি হয়

দুগ্ধ→দুধ, ঘৃত→ঘি, ভক্ত→ভাত

স্বরদীর্ঘতা বা স্বরবিস্তৃতি

ব্যঞ্জনলোপের ক্ষতিপূরণে স্বর দীর্ঘ হয়

হস্ত→হাত, সर्प→সাপ, দন্ত→দাঁত

স্বরসংযোগ/দ্বিস্বর

একটি নতুন স্বরধ্বনি যুক্ত হয়

বধূ→বউ, স্বর্ণ→সোনা, পত্র→পাতা

রূপসংক্ষিপ্তি

শব্দ ছোট ও উচ্চারণোপযোগী হয়

গাত্র→গা, রাত্রি→রাত, ঘাত→ঘা

ধ্বনিগত প্রক্রিয়া

কী ঘটে

উদাহরণ

নাসিক্যতা

অনেক ক্ষেত্রে নাসিক্যচিহ্ন বা নাসিক্য উচ্চারণ তৈরি হয়

চন্দ্র→চাঁদ, গঙ্গা→গাঙ, অশ্রু→আঁসু

ব্যঞ্জন-স্থানান্তর

মূল ব্যঞ্জন অপর ধ্বনিতে রূপ নেয়

অদ্য→আজ, জিহ্বা→জিভ, কুক্কুর→কুকুর

স্বরের গুণগত বদল

ঐ/ঔ/ঋ/অ ইত্যাদি সরল হয়ে যায়

তৈল→তেল, স্বর্ণ→সোনা, অদ্য→আজ

চূড়ান্ত ধ্বনি লোপ

শেষের ব্যঞ্জনাংশ বাদ পড়ে যায়

গাত্র→গা, ঘৃত→ঘি, রাত্রি→রাত

অর্থ অপরিবর্তিত/আংশিক পরিবর্তিত

মূল অর্থ বজায় থাকে, কখনো ব্যবহারক্ষেত্র বদলায়

ভ্রাতা→ভাই, ভগিনী→বোন, উপাধ্যায়→ওঝা

৮. তদ্ভব শব্দের শ্রেণিবিভাগ

শ্রেণি

ব্যাখ্যা

উদাহরণ

নিজস্ব তদ্ভব

সংস্কৃতের নিজস্ব শব্দধারা থেকে প্রাকৃত-অপভ্রংশ হয়ে বাংলায় আগত

হস্ত→হাত, কর্ণ→কান, মৎস্য→মাছ

বিদেশি তদ্ভব

যে শব্দ প্রথমে অন্য ভাষা থেকে সংস্কৃতে, পরে প্রাকৃতের মাধ্যমে বাংলায়

দ্রাম্ম/দ্রাখ্মে-জাত ‘দাম’; পিল্লক-জাত ‘পিলে’ (দুর্লভ/ঐতিহাসিক উদাহরণ)

৯. বিস্তৃত উদাহরণ-ভাণ্ডার

সতর্কতা: নিচের অধিকাংশ উদাহরণ বিদ্যালয়–কলেজের ব্যাকরণে বহুল ব্যবহৃত; কিছু উদাহরণ ঐতিহাসিক ব্যুৎপত্তিনির্ভর এবং কিছু ক্ষেত্রে ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে। সেগুলো আলাদা মন্তব্য-কলামে চিহ্নিত করা হয়েছে।

৯.১ সংখ্যা, সময় ও কালবাচক রূপ

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

অদ্য

আজ

আজকের দিন; অত্যন্ত পরিচিত তদ্ভব

একাদশ

এগারো

সংখ্যাবাচক; পরীক্ষায় বহুলপ্রচলিত

দ্বাদশ

বারো

সংখ্যা

ত্রয়োদশ

তেরো

সংখ্যা

চতুর্দশ

চৌদ্দ

সংখ্যা

পঞ্চদশ

পনেরো

সংখ্যা

ষোড়শ

ষোল

সংখ্যা

সপ্তদশ

সতেরো

সংখ্যা

অষ্টাদশ

আঠারো

সংখ্যা

ঊনবিংশতি

উনিশ

সংখ্যা

বিংশতি

বিশ

সংখ্যা

অষ্টাবিংশতি

আটাশ

সংখ্যা

ত্রিংশ

তিরিশ

সংখ্যা; কিছু গ্রন্থে আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়

চত্বারিংশ

চল্লিশ

সংখ্যা

ষষ্টি

ষাট

সংখ্যা

সপ্ততি

সত্তর

সংখ্যা

অশীতি

আশি

সংখ্যা

নবতি

নব্বই

সংখ্যা

রাত্রি

রাত

সময়বাচক

প্রহর

পহর

সময়পর্ব; প্রাচীন/কাব্যিক ব্যবহারেও আছে

সন্ধ্যা

সাঁঝ

দিনের শেষভাগ

অষ্টপ্রহরীয়

আটপৌরে

বিবর্তিত ব্যবহার; চিরচেনা/সাধারণ অর্থে

৯.২ দেহ, প্রকৃতি ও মৌলিক অভিজ্ঞতা

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

হস্ত

হাত

দেহাঙ্গ

হস্তী

হাতি

প্রাণীবাচক; ধ্বনিগত বিবর্তনও বোঝায়

পদ

পা

দেহাঙ্গ

কর্ণ

কান

দেহাঙ্গ

নাসিকা

নাক

দেহাঙ্গ

দন্ত

দাঁত

দেহাঙ্গ

জিহ্বা

জিভ

দেহাঙ্গ

অঙ্গুলি

আঙুল

দেহাঙ্গ

অক্ষি

আঁখি

কাব্যিক/প্রাচীন ব্যবহারেও গুরুত্বপূর্ণ

মস্তক

মাথা

দেহাঙ্গ; বহুলপ্রচলিত

গাত্র

গা

দেহ/শরীর

ঘাত

ঘা

আঘাতের চিহ্ন/ক্ষত

অশ্রু

আঁসু

চোখের জল; কাব্যে ব্যবহৃত

হৃদয়

হিয়া

কাব্যিক; পরীক্ষায় জিজ্ঞাসিত হতে পারে

চর্ম

চামড়া

দেহ/বস্তু উভয় ক্ষেত্রে

হড্ড/অস্থিধর্মী রূপ

হাড়

ধ্বনি-বিবর্তনের ঐতিহাসিক উদাহরণ

চন্দ্র

চাঁদ

প্রকৃতি ও আকাশ

গঙ্গা

গাঙ

নদী/জলধারা

হরিদ্রা

হলুদ

রং ও মসলা

তাম্র

তামা

ধাতু

৯.৩ প্রকৃতি, প্রাণী ও পরিবেশ

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

অগ্নি

আগুন

প্রকৃতি; অত্যন্ত পরিচিত

মৎস্য

মাছ

প্রাণী

মক্ষিকা

মাছি

পতঙ্গ

সर्प

সাপ

প্রাণী

কুক্কুর

কুকুর

প্রাণী

কুম্ভীর

কুমির

প্রাণী

ব্যাঘ্র

বাঘ

প্রাণী

শৃগাল

শিয়াল

প্রাণী

উষ্ট্র

উট

প্রাণী

বৃশ্চিক

বিছে/বিছা

পতঙ্গ/বিষধর; আঞ্চলিক ভিন্নতা আছে

গোধূম

গম

শস্য

গোরূপ

গোরু

পশু

পতঙ্গ

ফড়িং

ঐতিহাসিক উদাহরণ; সব গ্রন্থে সমভাবে নেই

কর্কট

কাঁকড়া

প্রাণী; প্রাচীন ব্যাকরণে উল্লিখিত

জলৌকা

জোঁক

জলজ প্রাণী

চর্মচটিকা

চামচিকা

বাদুড়জাতীয় প্রাণী

চটক

চড়াই

পাখি

ফুল্ল

ফুল

বিকশিত অবস্থা → ফুল

বন্যা

বান

প্রকৃতি/পানি

শুষ্ক

শুকো/শুখা

অবস্থা; কথ্য/আঞ্চলিক তারতম্য

৯.৪ পরিবার, সমাজ, পেশা ও পরিচয়

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

মাতা

মা

আত্মীয়তা

বধূ

বউ

পারিবারিক সম্পর্ক

ভ্রাতা

ভাই

আত্মীয়তা

ভগিনী

বোন

আত্মীয়তা

যামাতা

জামাই

আত্মীয়তা

জ্যেষ্ঠতাত

জেঠা

আত্মীয়তা

খুল্লতাত/খুল্ল

খুড়া

আত্মীয়তা; প্রাচীন রূপভিত্তিক উদাহরণ

ভ্রাতৃজায়া

ভাজ

আত্মীয়তা; প্রাচীন/লোকভাষায়

ভ্রাতৃশ্বশুর

ভাশুর

আত্মীয়তা

উপাধ্যায়

ওঝা

পেশা/সমাজ

সূত্রধর

ছুতার

পেশা

কর্মকার

কামার

পেশা

চর্মকার

চামার

পেশা

কুম্ভকার

কুমোর

পেশা

গৃহিণী

ঘরনী

সমাজ/পারিবারিক ভূমিকা

ব্রাহ্মণ

বামুন

সামাজিক পরিচয়

গোস্বামী

গোসাঁই

ধর্মীয়/সামাজিক পরিচয়

কর্ণধারী

কাণ্ডারী

নেতৃত্ব/নৌপথ

দলপতি

দলুই

পদবি-জাত রূপ; ঐতিহাসিক উদাহরণ

সপত্নী

সতিন

পারিবারিক সম্পর্ক

৯.৫ গৃহস্থালি, খাদ্য ও দৈনন্দিন জীবন

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

গৃহ

ঘর

বাসস্থান

দুগ্ধ

দুধ

খাদ্য

দধি

দই

খাদ্য

ঘৃত

ঘি

খাদ্য

তৈল

তেল

খাদ্য/গৃহস্থালি

লবণ

নুন

খাদ্য; কিছু গ্রন্থে বিশেষভাবে আলোচিত

কাষ্ঠ

কাঠ

গৃহস্থালি/বস্তু

পত্র

পাতা

গাছপালা/লেখ্য উভয় অর্থে

ভক্ত

ভাত

খাদ্য

ঘট

ঘড়া

পাত্র

ঘটিকা

ঘড়ি

সময়/যন্ত্র; ঐতিহাসিক বিবর্তন

গড্ডিকা

গাড়ি

যান; প্রাচীন ব্যুৎপত্তিগত উদাহরণ

কুটির

কুঁড়ে

বসতি

ইন্দ্রাগার

ইঁদারা

জলতোলার কূপ; ঐতিহাসিক উদাহরণ

দীপাবলী

দেওয়ালি

উৎসব

দেবকুল

দেউল

মন্দির/স্থাপনা

দেহলি

দেউড়ি

প্রবেশদ্বার

নবনীত

ননী

খাদ্য

আরাত্রিক

আরতি

ধর্মীয় আচরণ

অর্গলয়তি

আগলায়

দরজা/বন্ধ করা

গৈরিক

গেরুয়া

রং

সংক্রম

সাঁকো

পথ/পারাপার

তন্ত্র

তাঁত

কারুশিল্প

দীপবর্তিকা

দেউটি

আলো/প্রদীপ

কঙ্কণ

কাঁকন

অলংকার

৯.৬ বিমূর্ত ধারণা, সর্বনাম ও অর্থবিকাশধর্মী রূপ

সংস্কৃত/তৎসম রূপ

তদ্ভব রূপ

মন্তব্য

অপর

আর

অন্য/ভিন্ন অর্থবিস্তৃতি

এতদ্

এই

সর্বনাম

আত্মন্

আপন

সর্বনাম/স্বত্ব

অধস্তা

হেঁট

নিম্নমুখী/নিচের দিকে

অলক্ত

আলতা

রং/সৌন্দর্যসামগ্রী

অবিধবা

এয়ো

বৈবাহিক অবস্থা; প্রাচীন/লোকরূপ

অপস্মরতি

পাসরে

ভুলে যাওয়া; প্রাচীন উদাহরণ

স্বর্ণ

সোনা

ধাতু; খুব গুরুত্বপূর্ণ

তিক্ত

তেতো

স্বাদ

মৃত

মড়া

অবস্থা

রক্ততুল্য

রাতুল

রং/বর্ণনা

পরীক্ষা

পরখ

যাচাই

প্রতিবেশী

পড়শি

সমাজ/আশপাশ

সৌভাগ্য

সোহাগ

অর্থবিকাশসহ প্রিয়তা/স্নেহ

মিথ্যা

মিছে

অসত্য

লজ্জা

লাজ

মানসিক অবস্থা

হাস্য

হাসি

ক্রিয়া/অবস্থা

কার্য

কাজ

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ

বৃহৎ/বর্ধ ধারা থেকে

বড়

আকারগত ধারণা; সব গ্রন্থে একরকম নয়

ভদ্রক

ভালো

প্রাচীন ব্যুৎপত্তিগত উদাহরণ; মতভেদযুক্ত

১০. তদ্ভব নয়, এমন বহুল বিভ্রান্তিকর শব্দ

শব্দ

সঠিক শ্রেণি

কেন সতর্ক থাকতে হবে

গিন্নি

অর্ধ-তৎসম

গৃহিণী থেকে লোকমুখে পরিবর্তিত; তদ্ভব নয়

নেমন্তন্ন

অর্ধ-তৎসম

নিমন্ত্রণ থেকে সরাসরি পরিবর্তিত রূপ

খিদে

অর্ধ-তৎসম

ক্ষুধা-জাত; প্রচলিত কিন্তু তদ্ভব হিসেবে না ধরাই নিরাপদ

ঘেন্না

অর্ধ-তৎসম

ঘৃণা-জাত; তদ্ভবের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়

জোছনা

অর্ধ-তৎসম

জ্যোৎস্না-জাত; আধুনিক শিক্ষাক্রমে অর্ধ-তৎসম হিসেবে বেশি প্রচলিত

কেষ্ট

অর্ধ-তৎসম

কৃষ্ণ-জাত; কিন্তু কানু/কানাই তদ্ভবধর্মী রূপ হিসেবে দেখা হয়

গেরাম

মতভেদযুক্ত/আঞ্চলিক

প্রমিত লিখিত ভাষায় ব্যবহার নিরাপদ নয়

তিরিশ

মতভেদযুক্ত

অনেক গ্রন্থে তদ্ভব; কোথাও রূপান্তরিত চলিত রূপ হিসেবে আলাদা আলোচনা

নুন

মতভেদযুক্ত

লবণ-জাত হিসেবে ধরা হলেও সব বইয়ে সমভাবে নেই

চামড়া

মতভেদযুক্ত

চর্ম-জাত হিসেবে ধরা হয়; তবে সব প্রাথমিক ব্যাকরণে একরকম দেখা যায় না

১১. সাহিত্য, লোকভাষা ও ব্যবহারের ক্ষেত্র

তদ্ভব শব্দ বাংলা কথ্যভাষা, লোকসাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, পদাবলি, গ্রামীণ সংলাপ ও আবেগঘন প্রকাশে বিশেষ শক্তি যোগায়।

‘হাত’, ‘কান’, ‘ভাই’, ‘মা’, ‘বউ’, ‘ঘর’, ‘মাছ’, ‘ভাত’, ‘দুধ- ধরনের শব্দগুলোই বাংলার স্বাভাবিক জীবনঘন ভাষা তৈরি করে।

সাহিত্যে তদ্ভব শব্দ ব্যবহারে ভাষা হয় আন্তরিক, শ্রুতিমধুর ও বাস্তবঘন; তৎসমের তুলনায় কম আড়ম্বরপূর্ণ।

অনেক কাব্যিক শব্দ যেমন ‘হিয়া’, ‘আঁখি’, ‘সাঁঝ’, ‘চাঁদ’, ‘আঁসু- তদ্ভব রূপের সাংস্কৃতিক গুরুত্বও বহন করে।

১২. MCQ প্রস্তুতির জন্য

এক নজরে মুখস্থ রাখুন

তদ্ভব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসে না; প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে আসে।

হাত, কান, মাছ, ঘর, ভাই, বোন, ভাত, দুধ, কাঠ, সাপ - এগুলো পরীক্ষায় বারবার আসা তদ্ভব উদাহরণ।

নেমন্তন্ন, গিন্নি, খিদে, জোছনা, ঘেন্না - এগুলোকে তদ্ভব ভেবে ভুল করা হয়; আসলে সাধারণত অর্ধ-তৎসম হিসেবে ধরা হয়।

তদ্ভব শব্দে যুক্তব্যঞ্জন ভাঙন, স্বরবদল, ব্যঞ্জনলোপ, ধ্বনি-সরলীকরণ খুব সাধারণ।

সংখ্যাবাচক রূপ- এগারো, বারো, তেরো, চৌদ্দ, পনেরো, ষোল, সতেরো, আঠারো- খুব গুরুত্বপূর্ণ তদ্ভব ধারা

মূল রূপ

পরিবর্তিত রূপ

সঠিক শ্রেণি

পরীক্ষার নোট

হস্ত

হাত

তদ্ভব

পরীক্ষায় অতি প্রচলিত

নিমন্ত্রণ

নেমন্তন্ন

অর্ধ-তৎসম

তদ্ভব নয়

কর্ণ

কান

তদ্ভব

দেহাঙ্গ

গৃহিণী

গিন্নি

অর্ধ-তৎসম

ফাঁদ

মৎস্য

মাছ

তদ্ভব

প্রাণী

জ্যোৎস্না

জোছনা

অর্ধ-তৎসম

ফাঁদ

দুগ্ধ

দুধ

তদ্ভব

খাদ্য

ক্ষুধা

খিদে

অর্ধ-তৎসম

ফাঁদ

ভ্রাতা

ভাই

তদ্ভব

আত্মীয়তা

ভগিনী

বোন

তদ্ভব

আত্মীয়তা

উপাধ্যায়

ওঝা

তদ্ভব

পেশা

সূত্রধর

ছুতার

তদ্ভব

পেশা

চর্মকার

চামার

তদ্ভব

পেশা

গৃহ

ঘর

তদ্ভব

বাসস্থান

দধি

দই

তদ্ভব

খাদ্য

তৈল

তেল

তদ্ভব

খাদ্য/গৃহস্থালি

রাত্রি

রাত

তদ্ভব

সময়বাচক

গিন্নি

গৃহিণী

তৎসম

ভুল; উল্টো জোড়া

সাপ

র্প

তৎসম

ভুল; এখানে সাপ তদ্ভব

আজ

অদ্য

তৎসম

ভুল; আজ তদ্ভব

১৩. প্রচলিত মতভেদ ও পরীক্ষায় নিরাপদ কৌশল

সব ব্যাকরণগ্রন্থে একই শব্দ একই শ্রেণিতে নাও থাকতে পারে। বিশেষ করে তিরিশ, নুন, চামড়া, গাড়ি, ভালো ইত্যাদি কিছু রূপে মতভেদ পাওয়া যায়।

যে শব্দটি সব বইয়ে তদ্ভব হিসেবে একমত নয়, সেটি MCQ-তে এলে বিকল্পগুলোর তুলনা দেখে উত্তর নির্ধারণ করা শ্রেয়।

দ্বিধা হলে পরীক্ষামুখী নিরাপদ কৌশল হলো- যে রূপটি অর্ধ-তৎসম হিসেবে বহুলপ্রচলিত (যেমন নেমন্তন্ন, গিন্নি, খিদে, জোছনা), তাকে তদ্ভব না ধরা।

অতি আঞ্চলিক রূপকে প্রমিত ব্যাকরণ-উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার না করাই ভালো, যদি না প্রশ্নে বিশেষভাবে ‘লোকভাষা/আঞ্চলিক রূপ’ বলা থাকে।

১৪. অনুশীলনী ও পুনরালোচনা

১) ‘হাত’ শব্দটির তৎসম রূপ কী? ২) ‘নেমন্তন্ন’ কোন শ্রেণির শব্দ? ৩) ‘ভাই’ কি তদ্ভব? ৪) ‘জোছনা’ কি তদ্ভব? ৫) ‘দুধ’ ও ‘দই- উভয়ই কি তদ্ভব?

৬) ‘ঘর’ শব্দের তৎসম রূপ লিখুন। ৭) ‘সাপ’ শব্দের তৎসম রূপ লিখুন। ৮) ‘এগারো’ শব্দের তৎসম রূপ লিখুন। ৯) ‘বউ’ শব্দের তৎসম রূপ লিখুন। ১০) ‘কাজ’ শব্দের তৎসম রূপ লিখুন।

১১) ‘কান’ ও ‘নাক- কোন দুই তৎসম রূপ থেকে এসেছে? ১২) ‘ঘেন্না’ ও ‘খিদে’ কেন তদ্ভব নয়? ১৩) ‘ওঝা’ ও ‘ছুতার’ কোন শ্রেণিতে পড়বে? ১৪) ‘গিন্নি’ ও ‘ঘরনী- একটির শ্রেণি কী, অন্যটির শ্রেণি কী? ১৫) ‘চাঁদ’, ‘গাঙ’, ‘সাঁঝ- এদের ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য কী?

১৫. সংক্ষিপ্ত উত্তরনির্দেশ

হাত→হস্ত, নেমন্তন্ন→অর্ধ-তৎসম, ভাই→তদ্ভব, জোছনা→অর্ধ-তৎসম, দুধ/দই→তদ্ভব।

ঘর→গৃহ, সাপ→সर्प, এগারো→একাদশ, বউ→বধূ, কাজ→কার্য।

কান→কর্ণ, নাক→নাসিকা; ঘেন্না/খিদে সরাসরি সংস্কৃতজাত শব্দের আংশিক রূপান্তর হওয়ায় সাধারণত অর্ধ-তৎসম হিসেবে ধরা হয়।

১৬. উপসংহার

তদ্ভব শব্দ বাংলা ভাষার উত্তরাধিকারসূত্রে গঠিত প্রাণময় ভাণ্ডার। বাংলা ভাষার সহজতা, মুখের স্বর, ঘরোয়া রস, প্রবাদ-প্রবচনের জোর, এবং লোকজ আবেগের বড় অংশ এই তদ্ভব স্তরে নিহিত। তাই MCQ প্রস্তুতিতে শুধু কয়েকটি উদাহরণ মুখস্থ করলেই হবে না; তৎসম রূপ, ধ্বনি-পরিবর্তনের ধরন, এবং বিভ্রান্তিকর অর্ধ-তৎসম রূপ- সব একসঙ্গে আয়ত্ত করতে হবে।

পরিশিষ্ট–ক. দ্রুত পুনরাবৃত্তির জন্য ৩০টি অতিরিক্ত জোড়া

এই অংশটি দ্রুত রিভিশনের জন্য। এখানে বহু জোড়া ঐতিহাসিক ব্যাকরণ, ব্যুৎপত্তি-ভিত্তিক তালিকা ও পরীক্ষামুখী নোটে বহুল ব্যবহৃত।

মূল রূপ

তদ্ভব

মূল রূপ

তদ্ভব

অলক্ত

আলতা

ইন্দ্রাগার

ইঁদারা

কঙ্কণ

কাঁকন

কর্কট

কাঁকড়া

কুটির

কুঁড়ে

কেতক

কেয়া

কেতকট

কেওড়া

কর্ণধারী

কাণ্ডারী

খঙ্গ

খাঁড়া

গর্দভ

গাধা

গৈরিক

গেরুয়া

গোরূপ

গোরু

ঘট

ঘড়া

ঘাত

ঘা

জলৌকা

জোঁক

জ্যেষ্ঠতাত

জেঠা

তন্ত্র

তাঁত

দীপবর্তিকা

দেউটি

দেবকুল

দেউল

দেহলি

দেউড়ি

নবনীত

ননী

প্রতিবেশী

পড়শি

পতঙ্গ

ফড়িং

ব্রাহ্মণ

বামুন

সৌভাগ্য

সোহাগ

হরিদ্রা

হলুদ

সাগর

সায়র

সংক্রম

সাঁকো

সূত্র

ছুতা

হস্তী

হাতি

Review this chapter

You Can Also Read

Chapters closely related to the one you are reading now.

অর্ধ-তৎসম শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

বিদেশি শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

শব্দ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ

No reviews
0 students
Read chapter

Most Read by Students

Popular picks getting the strongest student traffic right now.

বাংলা ভাষার রীতি

No reviews
1 student
Read chapter

অসহযোগ আন্দোলন (মার্চ ১৯৭১)

No reviews
1 student
Read chapter

নদী, সেতু, পাহাড়, দ্বীপ, বন, সমুদ্রবন্দর

No reviews
1 student
Read chapter

Others Who Read This Also Read

Behavior-based suggestions from student reading patterns where available.

অর্ধ-তৎসম শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

বিদেশি শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

শব্দ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ

No reviews
0 students
Read chapter

Best Reviewed

Chapters earning the strongest student feedback.

অর্ধ-তৎসম শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

বিদেশি শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ

No reviews
0 students
Read chapter

শব্দ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ

No reviews
0 students
Read chapter

Course Suggestions

Want a more guided path after this chapter? These courses are the closest fit.

Browse all courses
Best match৳1,999

Bangla

Bangla Language Mastery

A structured Bangla Language path to continue after this chapter.

6 lessons8.5h4.9 (186)1.3K students

By Sadia Rahman

View course
Good fit৳2,999

Platform Building

Teacher Marketplace Blueprint

A structured Bangla Language path to continue after this chapter.

5 lessons6.8h4.9 (28)410 students

By Sadia Rahman

View course
FreeFree

English

Admission English Playbook

Free guided course with lessons you can jump into anytime.

4 lessons4.2h4.8 (91)2.8K students

By Rayan Akter

View course